আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুল হক নুরকে শোকজ
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনের বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পটুয়াখালীর নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এই নোটিশ জারি করে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, অ্যাডভোকেট এনামুল হকের দায়ের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুনকে নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ), (ছ) ধারার লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান এলাকার পাগলা বাজার সেন্টারে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুনের নির্বাচনি কার্যালয়ে নূরের অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা ভাঙচুর চালায়। এ সময় কয়েকজন সমর্থক আহত হন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, যা আচরণবিধিমালার ৬ (ক) ধারার পরিপন্থি। শোকজ নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যাল
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনের বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পটুয়াখালীর নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এই নোটিশ জারি করে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, অ্যাডভোকেট এনামুল হকের দায়ের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুনকে নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ), (ছ) ধারার লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান এলাকার পাগলা বাজার সেন্টারে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুনের নির্বাচনি কার্যালয়ে নূরের অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা ভাঙচুর চালায়। এ সময় কয়েকজন সমর্থক আহত হন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, যা আচরণবিধিমালার ৬ (ক) ধারার পরিপন্থি।
শোকজ নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা না দিলে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
তবে এ বিষয়ে নুরুল হক নুরের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মাহমুদ হাসান রায়হান/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?