আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সন্দ্বীপে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আলা উদ্দীন শিকদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ইলেক্টোরাল ইনকোয়রি কমিটি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি ও এডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে শোকজ করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করে নিজ প্রচার গাড়িতে ব্যানার ব্যবহার এবং সন্দ্বীপ পৌরসভা মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন জামায়াত প্রার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০টির বেশি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রচারণায় ১২টি মাইক ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধি ৭-এর (খ) ও ১৭-এর (১) ধারার লঙ্ঘন। এই অভিযোগগুলো বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৩১ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে প্রার্থী মো. আলা উদ্দীন শিকদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৫ জন। এ আসনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসল
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আলা উদ্দীন শিকদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ইলেক্টোরাল ইনকোয়রি কমিটি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি ও এডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে শোকজ করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করে নিজ প্রচার গাড়িতে ব্যানার ব্যবহার এবং সন্দ্বীপ পৌরসভা মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন জামায়াত প্রার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০টির বেশি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রচারণায় ১২টি মাইক ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধি ৭-এর (খ) ও ১৭-এর (১) ধারার লঙ্ঘন।
এই অভিযোগগুলো বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৩১ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে প্রার্থী মো. আলা উদ্দীন শিকদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৫ জন। এ আসনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
What's Your Reaction?