আজ গোল করলেই পেলের রেকর্ডে ভাগ বসাবেন নেইমার
ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে পেলেকে অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছেন নেইমার। এবার পেলের আরও এক রেকর্ডে ভাগ বসানোর দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন এই সান্তোস তারকা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে চোট কাটিয়ে মাঠে নামার কথা রয়েছে নেইমারের। এই ম্যাচে গোলের দেখা পেলেই দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে চার বিশ্বকাপে জাল খুঁজে পাওয়ার কীর্তি গড়া হয়ে যাবে তার। প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে চার বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন ‘ফুটবলের রাজা’ পেলে। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ১৯৭০ বিশ্বকাপে গোলের দেখা পেয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে শুধু ১৯৬৬ আসর বাদে বাকি তিন সংস্করণেই বিশ্বকাপ জয় করেছিল সেলেসাওরা। এদিকে নেইমার ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে গোলের দেখা পেয়েছেন। চোটাঘাতের ধকলে ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। তবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অবশেষে মাঠে নামতে যাচ্ছেন তিনি। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এস্পোর্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশে নেইমারের থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চল
ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে পেলেকে অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছেন নেইমার। এবার পেলের আরও এক রেকর্ডে ভাগ বসানোর দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন এই সান্তোস তারকা।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে চোট কাটিয়ে মাঠে নামার কথা রয়েছে নেইমারের। এই ম্যাচে গোলের দেখা পেলেই দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে চার বিশ্বকাপে জাল খুঁজে পাওয়ার কীর্তি গড়া হয়ে যাবে তার।
প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে চার বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন ‘ফুটবলের রাজা’ পেলে। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ১৯৭০ বিশ্বকাপে গোলের দেখা পেয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে শুধু ১৯৬৬ আসর বাদে বাকি তিন সংস্করণেই বিশ্বকাপ জয় করেছিল সেলেসাওরা।
এদিকে নেইমার ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে গোলের দেখা পেয়েছেন। চোটাঘাতের ধকলে ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। তবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অবশেষে মাঠে নামতে যাচ্ছেন তিনি।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এস্পোর্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশে নেইমারের থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে বদলি হিসেবে নামতে পারেন তিনি।
জানা গেছে, নেইমারকে নিয়ে কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দলের সবচেয়ে বড় তারকাকে নকআউট পর্বের জন্য শতভাগ প্রস্তুত রাখাই মূল লক্ষ্য।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অনেক সময় শেষ ম্যাচগুলো আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। কিন্তু ব্রাজিলের জন্য স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি মোটেও তেমন নয়। এখানে জড়িয়ে আছে গ্রুপের শীর্ষস্থান, নকআউটের পথ সহজ করার হিসাব এবং বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেয়ার সুযোগ। আর সেসব লক্ষ্য অর্জনে ব্রাজিলের ‘তুরুপের তাস’ হতে পারেন নেইমার।
What's Your Reaction?