আজকের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে মামলা করবে সরকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য আসনের নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ৯ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সব আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-৪ শাখার উপসচিব আবেদা আফসারী স্বাক্ষরিত জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্রধারীদের (কর্মরত সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা ব্যতীত) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের অস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দিতে হবে। যেসব অস্ত্র এরইমধ্যে ফেরত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো ৮ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় লাইসেন্সধারী নিজে অথবা মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র/গোলাবারুদ জমা না দিলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে যেসব আগ্নেয়াস্ত্র থানা, জেলা ট্রেজারি বা অনুমোদিত আর্মস ডিলারের কাছে জমা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। এ আদেশ

আজকের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে মামলা করবে সরকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য আসনের নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ৯ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সব আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-৪ শাখার উপসচিব আবেদা আফসারী স্বাক্ষরিত জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্রধারীদের (কর্মরত সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা ব্যতীত) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের অস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দিতে হবে। যেসব অস্ত্র এরইমধ্যে ফেরত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো ৮ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় লাইসেন্সধারী নিজে অথবা মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র/গোলাবারুদ জমা না দিলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

তবে যেসব আগ্নেয়াস্ত্র থানা, জেলা ট্রেজারি বা অনুমোদিত আর্মস ডিলারের কাছে জমা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।

এ আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরীদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

টিটি/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow