আতঙ্কে ঘরে ফিরতে ভয়, এখনো খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর রাজধানী কারাকাসসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় মানুষ এখনও ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কায় অনেকেই পার্ক, উন্মুক্ত চত্বর ও খোলা জায়গায় রাত কাটাচ্ছেন। কারাকাস থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক মারিয়া এমিলিয়া মিরো কেসাদা বলেন, মানুষ ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছে। ভবনগুলোর কাঠামো কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা নিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তিনি জানান, ভঙ্গুর অর্থনীতির কারণে ভবিষ্যৎ নিয়েও মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। দুর্যোগের ক্ষতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর শঙ্কা কাজ করছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উদ্ধার তৎপরতার গতি বাড়ানো বলে মন্তব্য করেন মিরো কেসাদা। তার ভাষায়, সবচেয়ে জরুরি হলো দ্রুত প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সম্পদ পৌঁছে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করা, যাতে ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকা ও আহত মানুষদের দ্রুত উদ্ধার করা যায়। এদিকে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে দিনরাত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ও উদ্ধার সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দিচ

আতঙ্কে ঘরে ফিরতে ভয়, এখনো খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর রাজধানী কারাকাসসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় মানুষ এখনও ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কায় অনেকেই পার্ক, উন্মুক্ত চত্বর ও খোলা জায়গায় রাত কাটাচ্ছেন।

কারাকাস থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক মারিয়া এমিলিয়া মিরো কেসাদা বলেন, মানুষ ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছে। ভবনগুলোর কাঠামো কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা নিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

তিনি জানান, ভঙ্গুর অর্থনীতির কারণে ভবিষ্যৎ নিয়েও মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। দুর্যোগের ক্ষতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর শঙ্কা কাজ করছে।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উদ্ধার তৎপরতার গতি বাড়ানো বলে মন্তব্য করেন মিরো কেসাদা। তার ভাষায়, সবচেয়ে জরুরি হলো দ্রুত প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সম্পদ পৌঁছে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করা, যাতে ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকা ও আহত মানুষদের দ্রুত উদ্ধার করা যায়।

এদিকে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে দিনরাত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ও উদ্ধার সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারলোস আলভ্যারাডো জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া অনেক মানুষ হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছেন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে অন্তত ২৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যারা হয় আগেই মারা গিয়েছিলেন, নয়তো হাসপাতালে আনার পথেই প্রাণ হারিয়েছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow