আত্মঘাতি গোলে শুরুতেই এগিয়ে গেলো যুক্তরাষ্ট্র

স্বপ্নের মতো শুরু করেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পেয়েছে বিশ্বকাপের স্বাগতিকরা। যদিও গোলটি এসেছে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতি ভুলে। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মউরিসিও পোচেত্তিনোর দল। প্রথম মিনিট থেকেই প্যারাগুয়েকে নিজেদের অর্ধে চেপে ধরার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় মিনিটে মালিক টিলম্যানের লম্বা পাস থেকে চাপ তৈরির চেষ্টা করে স্বাগতিকরা, যদিও তাৎক্ষণিক সুযোগ তৈরি হয়নি। তৃতীয় মিনিটেই প্রথম বড় সুযোগ আসে। ডান প্রান্ত দিয়ে অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের দারুণ বল থেকে ওয়েস্টন ম্যাককেনি হেডে বল বাড়িয়ে দেন ফোলারিন বালোগুনের দিকে। তবে কঠিন কোণ থেকে নেওয়া বালোগুনের শট সহজেই ধরে ফেলেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক গিল। পঞ্চম মিনিটে আবারও আক্রমণে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাককেনি ও সার্জিনিও ডেস্টের সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ শেষ পর্যন্ত সফল না হলেও স্বাগতিকদের আধিপত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ষষ্ঠ মিনিটে প্রথমবারের মতো হুমকি দেয় প্যারাগুয়ে। হুলিও এনসিসোর নিচু ক্রস আন্তোনিও সানাব্রিয়ার কাছে পৌঁছানোর আগে

আত্মঘাতি গোলে শুরুতেই এগিয়ে গেলো যুক্তরাষ্ট্র

স্বপ্নের মতো শুরু করেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পেয়েছে বিশ্বকাপের স্বাগতিকরা। যদিও গোলটি এসেছে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতি ভুলে।

লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মউরিসিও পোচেত্তিনোর দল। প্রথম মিনিট থেকেই প্যারাগুয়েকে নিজেদের অর্ধে চেপে ধরার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় মিনিটে মালিক টিলম্যানের লম্বা পাস থেকে চাপ তৈরির চেষ্টা করে স্বাগতিকরা, যদিও তাৎক্ষণিক সুযোগ তৈরি হয়নি।

তৃতীয় মিনিটেই প্রথম বড় সুযোগ আসে। ডান প্রান্ত দিয়ে অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের দারুণ বল থেকে ওয়েস্টন ম্যাককেনি হেডে বল বাড়িয়ে দেন ফোলারিন বালোগুনের দিকে। তবে কঠিন কোণ থেকে নেওয়া বালোগুনের শট সহজেই ধরে ফেলেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক গিল।

পঞ্চম মিনিটে আবারও আক্রমণে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাককেনি ও সার্জিনিও ডেস্টের সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ শেষ পর্যন্ত সফল না হলেও স্বাগতিকদের আধিপত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে ষষ্ঠ মিনিটে প্রথমবারের মতো হুমকি দেয় প্যারাগুয়ে। হুলিও এনসিসোর নিচু ক্রস আন্তোনিও সানাব্রিয়ার কাছে পৌঁছানোর আগেই দুর্দান্তভাবে ক্লিয়ার করেন ক্রিস রিচার্ডস।

তবে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। মাঝমাঠ থেকে ম্যাককেনির উদ্যোগে শুরু হওয়া আক্রমণে বল যায় ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের কাছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক অসাধারণ দক্ষতায় দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে এগিয়ে যান এবং তৃতীয় ডিফেন্ডারকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে ম্যাককেনির জন্য বল ছেড়ে দেন।

ম্যাককেনির টোকায় বল এগিয়ে যায় গোলমুখে। গোলরক্ষক গিল বল ঠেকাতে বেরিয়ে এলেও বিপত্তি ঘটে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার দামিয়ান ববাদিয়ার। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালেই জড়িয়ে ফেলেন তিনি।

ফলে আত্মঘাতি গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পাওয়া চতুর্থ আত্মঘাতি গোল, যা জার্মানি ও ইতালির সমান। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স, যারা প্রতিপক্ষের আত্মঘাতি গোলে লাভবান হয়েছে ছয়বার।

গোল হজমের পর প্যারাগুয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায়। দশম মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিককে থামাতে গিয়ে কঠোর ট্যাকল করেন ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই তাকে হলুদ কার্ড দেখান। সেই ফ্রি-কিক থেকে অ্যান্টনি রবিনসনের ক্রস পরে ডানদিকে সরিয়ে দেন স্বাগতিকরা, কিন্তু অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের বিপজ্জনক ক্রস হেডে ক্লিয়ার করেন দিয়েগো গোমেজ।

শুরুতেই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে দ্রুত সমতায় ফিরতে এখন আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে প্যারাগুয়েকে।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow