আত্মসমর্পণ করা ১২৭ জলদস্যুকে ঈদ উপহার দিলো র‍্যাব

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে বিভিন্ন সময় আত্মসমর্পণ করা ১২৭ জন সাবেক জলদস্যুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‍্যাব-৭। একই সঙ্গে তাদের বর্তমান জীবনযাপন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। রোববার (২৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকার এলিট হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। র‍্যাবের মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান। র‍্যাব জানায়, ২০১৮, ২০২০ ও ২০২৪ সালে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী ও পেকুয়া উপকূলীয় অঞ্চল থেকে আত্মসমর্পণ করা ১২৭ জন জলদস্যুকে ‘আলোর পথের অভিযাত্রী’ হিসেবে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হয়েছে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা ও প্রণোদনা দিয়ে আসছে বাহিনীটি। অনুষ্ঠানে র‍্যাব কর্মকর্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আত্মসমর্পণ কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। আত্মসমর্পণের পর সাবেক জলদস্যুরা যেন পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে না পড়েন, সে জন্য তাদের নিয়মিত তদারকি ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মতবিনিময় সভায় আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিরা র‍্যাবের

আত্মসমর্পণ করা ১২৭ জলদস্যুকে ঈদ উপহার দিলো র‍্যাব

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে বিভিন্ন সময় আত্মসমর্পণ করা ১২৭ জন সাবেক জলদস্যুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‍্যাব-৭। একই সঙ্গে তাদের বর্তমান জীবনযাপন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

রোববার (২৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকার এলিট হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। র‍্যাবের মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।

র‍্যাব জানায়, ২০১৮, ২০২০ ও ২০২৪ সালে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী ও পেকুয়া উপকূলীয় অঞ্চল থেকে আত্মসমর্পণ করা ১২৭ জন জলদস্যুকে ‘আলোর পথের অভিযাত্রী’ হিসেবে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হয়েছে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা ও প্রণোদনা দিয়ে আসছে বাহিনীটি।

অনুষ্ঠানে র‍্যাব কর্মকর্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আত্মসমর্পণ কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। আত্মসমর্পণের পর সাবেক জলদস্যুরা যেন পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে না পড়েন, সে জন্য তাদের নিয়মিত তদারকি ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিরা র‍্যাবের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে এসব সহায়তা তাদের অনুপ্রাণিত করছে।

এমআরএএইচ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow