আত্মসমর্পণ করে কারাগারে ডেল্টা লাইফের সাবেক সিএফও ফারহান উদ্দিন
জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করা ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. ফারহান উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন ফারহান। পরে তার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক আবেদনটি নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ফারহানের বিরুদ্ধে কোম্পানির অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে এক কোটি ৮৮ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদ চৌধুরী বলেন, উচ্চ আদালত ফারহানকে আট সপ্তাহের জামিন দিয়েছিলেন। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি আদালতের নির্দেশনা মেনে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু নিম্ন আদালত জামিন না দেওয়ায় তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে। মামলার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ফারহানের আইনজীবী। তার ভাষ্য, ডেল্টা লাইফে প্রশাসক নিয়োগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উচ্চ আদালতে রিট হয়েছিল। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে সেই মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে ব্যয় হয়েছে, তা তৎকালীন প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। এসব
জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করা ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. ফারহান উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন ফারহান। পরে তার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক আবেদনটি নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ফারহানের বিরুদ্ধে কোম্পানির অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে এক কোটি ৮৮ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদ চৌধুরী বলেন, উচ্চ আদালত ফারহানকে আট সপ্তাহের জামিন দিয়েছিলেন। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি আদালতের নির্দেশনা মেনে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু নিম্ন আদালত জামিন না দেওয়ায় তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে।
মামলার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ফারহানের আইনজীবী। তার ভাষ্য, ডেল্টা লাইফে প্রশাসক নিয়োগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উচ্চ আদালতে রিট হয়েছিল। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে সেই মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে ব্যয় হয়েছে, তা তৎকালীন প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। এসব ব্যয়ের পক্ষে কোম্পানির নথি ও ভাউচার রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
২০২৫ সালে ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্সের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মামলাটি করেন। এতে ফারহান ছাড়াও কোম্পানিটির সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মো. মঞ্জুরে মাওলা, সাবেক আইনবিষয়ক পরামর্শক মো. মাহাবুব আলম খান এবং সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (আইন বিভাগ) মো. সাইফুজ্জামানকে আসামি করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কোম্পানির আইনি ব্যয়ের নামে বিভিন্ন ধরনের বিল ও ভাউচার তৈরি করে আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অর্থ সরিয়ে নেন। এতে অনিয়ম, জালিয়াতি ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
অর্থের পরিমাণ নির্ধারণে একটি তদন্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদনও সামনে আনা হয়েছে। আপিল বিভাগের আদেশের পর প্রশাসকের সময়কার কার্যক্রম যাচাই করতে ডেল্টা লাইফের পক্ষ থেকে এম জে আবেদীন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
তদন্ত শেষে প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ডেল্টা লাইফের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বিভিন্ন বিল-ভাউচার উপস্থাপনের মাধ্যমে কোম্পানি থেকে এক কোটি ৮৮ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাতের কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারহানের আইনজীবী। তার দাবি, মামলায় যেসব ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো কোম্পানির তৎকালীন প্রশাসকের অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই হয়েছিল।
এমডিএএ/একিউএফ
What's Your Reaction?
