আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান বিকেএমের

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম)। শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘নবজাতকদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক। ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। কোনোভাবেই দায়ীদের দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।’ তিনি বলেন, ‘তদন্ত ও জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় গত ১১ জুন পুরো হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প ব্যয়ে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে। শত শত ভর্তি রোগী ও প্রতিদিনের বিপুলসংখ্যক সেবাগ্রহিতার চিকিৎসা চলমান থাকা অবস্থায় হাসপাতালটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ মানুষ মারাত্মক ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।’ বিকেএম মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে অবহেলা, ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা ও চিকিৎসা

আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান বিকেএমের
রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম)। শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘নবজাতকদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক। ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। কোনোভাবেই দায়ীদের দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।’ তিনি বলেন, ‘তদন্ত ও জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় গত ১১ জুন পুরো হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প ব্যয়ে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে। শত শত ভর্তি রোগী ও প্রতিদিনের বিপুলসংখ্যক সেবাগ্রহিতার চিকিৎসা চলমান থাকা অবস্থায় হাসপাতালটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ মানুষ মারাত্মক ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।’ বিকেএম মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে অবহেলা, ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা ও চিকিৎসাগত ত্রুটিজনিত ঘটনা অতীতেও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে। কিন্তু প্রতিটি ঘটনার জন্য পুরো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া স্থায়ী সমাধান নয়। বরং দায়ী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে ত্রুটি সংশোধন এবং সেবার মান নিশ্চিত করাই অধিকতর কার্যকর পন্থা। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা ও মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখে কঠোর তদারকির মাধ্যমে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা চালু রাখার সুযোগ দেওয়া উচিত। মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ সরকারের প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, তবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা উচিত নয়। তিনি অবিলম্বে হাসপাতালটির চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow