আদালত প্রাঙ্গণে স্বামী-সতিনকে মারধর, প্রথম স্ত্রীর কারাদণ্ড

শেরপুরে আদালত অঙ্গনে স্বামী ও সতিনকে মারধরের দায়ে আখলিমা আক্তার (৩০) নামে এক নারীকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই নারী মারধরের শিকার স্বামীর প্রথম স্ত্রী। এ ঘটনায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে এই সাজার আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া। সাজাপ্রাপ্ত আকলিমা নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার আরজ আলীর মেয়ে। বিচারিক আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সামিউল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্র জানায়, নকলা আমলি আদালতে আখলিমা খাতুনের করা যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় একটি মামলায় স্বামী উজ্জ্বল মিয়া সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাজিরা দিয়ে বের হন। এরপর শ্রীবরদী আমলি আদালতের কাছে থাকা উজ্জ্বল মিয়া ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে প্রথম স্ত্রী আখলিমা আক্তার ও তার লোকজন তাদের মারপিটে লাঞ্ছিত করে। এ নিয়ে আদালত অঙ্গনে ব্যাপক শোরগোল শুরু হলে আদালতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই তিনজনসহ ৪ জনকে আটক করে। পরে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে স্বপ্না খাতুনের করা মামলায় তাৎক্ষণিক কর্তব্যরত পুলিশসহ ৫ জনের সাক

আদালত প্রাঙ্গণে স্বামী-সতিনকে মারধর, প্রথম স্ত্রীর কারাদণ্ড

শেরপুরে আদালত অঙ্গনে স্বামী ও সতিনকে মারধরের দায়ে আখলিমা আক্তার (৩০) নামে এক নারীকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই নারী মারধরের শিকার স্বামীর প্রথম স্ত্রী। এ ঘটনায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে এই সাজার আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

সাজাপ্রাপ্ত আকলিমা নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার আরজ আলীর মেয়ে।

বিচারিক আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সামিউল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, নকলা আমলি আদালতে আখলিমা খাতুনের করা যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় একটি মামলায় স্বামী উজ্জ্বল মিয়া সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাজিরা দিয়ে বের হন। এরপর শ্রীবরদী আমলি আদালতের কাছে থাকা উজ্জ্বল মিয়া ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে প্রথম স্ত্রী আখলিমা আক্তার ও তার লোকজন তাদের মারপিটে লাঞ্ছিত করে।

এ নিয়ে আদালত অঙ্গনে ব্যাপক শোরগোল শুরু হলে আদালতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই তিনজনসহ ৪ জনকে আটক করে।

পরে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে স্বপ্না খাতুনের করা মামলায় তাৎক্ষণিক কর্তব্যরত পুলিশসহ ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আখলিমা খাতুনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আখলিমার বড় বোন নাসিমা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মো. নাঈম ইসলাম/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow