আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ও সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট রুমেল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রেজাউল করিম স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত জামিন শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তিনি আরও বলেন, আমরা পরবর্তীতে তাদের জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে চেষ্টা করব।  আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ নভেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল নূর বাদী হয়ে সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানসহ আওয়ামী লীগের ৪৯ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে জগন্নাথপুর থানায় এই মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছি

আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিন আবেদন করেন।

তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ও সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট রুমেল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রেজাউল করিম স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত জামিন শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা পরবর্তীতে তাদের জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে চেষ্টা করব। 

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ নভেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল নূর বাদী হয়ে সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানসহ আওয়ামী লীগের ৪৯ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে জগন্নাথপুর থানায় এই মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় রেজাউল করিম রিজু অন্যতম এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় এ পর্যন্ত মোট ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow