আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করতে এসে বাদী নিজেই কারাগারে
রাজবাড়ীর পাংশা আমলী আদালতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করতে এসে বাদীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালতের বিচারক। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। মামলার বাদী রাজবাড়ী আদালতের মুহুরী মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম বুলু। তিনি আসামী আবু সায়েমসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৯৫, ২৯৫(ক) ও ৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়েরের পর ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ কালে রাজবাড়ীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মহসিন হাসানের নিকট বাদীর বক্তব্যে অসঙ্গতি ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ সময় আদালত বাদীকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে মামলার অভিযোগ সমূহ মিথ্যা ও মনগড়া বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে আদালত বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। পরবর্তীতে আদালত দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২১১ ধারায় (মিথ্যা মামলা দায়ের) বাদী ও রাজবাড়ী বারের মহুরী মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম বুলুর বিরুদ্ধে মামলা রুজুর নির্দেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে আদালত তাকে সিডব্লিউ হিসেবে গণ্য করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। আইনজ্ঞ মহলের মতে, এই আদেশের মাধ্যমে
রাজবাড়ীর পাংশা আমলী আদালতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করতে এসে বাদীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালতের বিচারক।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।
মামলার বাদী রাজবাড়ী আদালতের মুহুরী মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম বুলু। তিনি আসামী আবু সায়েমসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৯৫, ২৯৫(ক) ও ৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি দায়েরের পর ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ কালে রাজবাড়ীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মহসিন হাসানের নিকট বাদীর বক্তব্যে অসঙ্গতি ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়।
এ সময় আদালত বাদীকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে মামলার অভিযোগ সমূহ মিথ্যা ও মনগড়া বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে আদালত বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন।
পরবর্তীতে আদালত দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২১১ ধারায় (মিথ্যা মামলা দায়ের) বাদী ও রাজবাড়ী বারের মহুরী মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম বুলুর বিরুদ্ধে মামলা রুজুর নির্দেশ প্রদান করেন।
একই সঙ্গে আদালত তাকে সিডব্লিউ হিসেবে গণ্য করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
আইনজ্ঞ মহলের মতে, এই আদেশের মাধ্যমে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে একটি কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বার্তা প্রদান করেছেন, যা বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ধারণা করা হচ্ছে, মিথ্যে মামলা দায়েরের সাথে আদম ব্যবসায়ী চক্র জড়িত। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সন্দেহ ভাজনদের আইনের আওতায় এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অনেক অজানা তথ্য বেড়িয়ে আসবে।
সাবেক এপিপি ও রাজবাড়ী জেলা বার এসেসিয়েশনের যুগ্ম খান মোহাম্মদ জহুরুল হক বলেন, বিচারক বিচার প্রার্থীদের জন্য ন্যায় বিচার প্রাপ্তির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মিথ্যা মামলা দায়ের করতে এসে বাদী এখন নিজেই কারাগারে। এতে মিথ্যা মামলার প্রবণতা হ্রাস পাবে।
রাজবাড়ী জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাড. খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু বলেন, বিচারক বিচক্ষণতার সাথে মিথ্যা মামলার বাদীকে সনাক্ত করে কারাগারে দিয়েছেন।
এরকম মিথ্যা মামলা দায়েরকারীদের শাস্তি হলে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা হ্রাস পাবে। মানুষ ন্যায্য বিচার পাবে। মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করতে পারে আসামীরা।
What's Your Reaction?