আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ২০

ফরিদপুরের সালথায় পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার বালিয়া গট্টি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলা বালিয়া গ্রামের বিএনপি সমর্থক জাহিদ মাতুব্বরের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে একই এলাকার নুরু মাতুব্বরের সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক আরিফ মাতুব্বরকে ভ্যান থেকে নামিয়ে মারধর করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এতে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ থেকে ২৫টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া নুরু মাতুব্বরের সমর্থকদের বিরুদ্ধে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক আবুল শে

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ২০

ফরিদপুরের সালথায় পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার বালিয়া গট্টি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলা বালিয়া গ্রামের বিএনপি সমর্থক জাহিদ মাতুব্বরের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে একই এলাকার নুরু মাতুব্বরের সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক আরিফ মাতুব্বরকে ভ্যান থেকে নামিয়ে মারধর করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এতে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ থেকে ২৫টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া নুরু মাতুব্বরের সমর্থকদের বিরুদ্ধে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক আবুল শেখের তিনটি গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ২০

সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এন কে বি নয়ন/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow