আনসার সদস্যদের তৎপরতায় হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হারিয়ে যাওয়া তিন বছর বয়সি এক শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার লিফট-১ সংলগ্ন জরুরি বিভাগ এলাকায় এক শিশুকে কান্নারত অবস্থায় ঘোরাফেরা করতে দেখেন টহলরত আনসার সদস্যরা। শিশুটির আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তারা তার কাছে গিয়ে পরিচয় ও স্বজনদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেন। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম মো. হাঞ্জালা (৩)। তার পিতা মো. শাহিন এবং মাতা কল্পনা আক্তার। তাদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার বালীআটা গ্রামে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শিশুটি তার মা ও নানির সঙ্গে হাসপাতালে এসেছিল। কিন্তু হাসপাতালের ব্যস্ততা ও ভিড়ের মধ্যে অসাবধানতাবশত তাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ স্বজনদের খুঁজে না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে সে। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে নেন টহলরত পিসি মো. মুনসুর আলী ও এপিসি মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বাধীন আনসার সদস্যরা। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, করিডোর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অনুসন্ধান চা
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হারিয়ে যাওয়া তিন বছর বয়সি এক শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার লিফট-১ সংলগ্ন জরুরি বিভাগ এলাকায় এক শিশুকে কান্নারত অবস্থায় ঘোরাফেরা করতে দেখেন টহলরত আনসার সদস্যরা। শিশুটির আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তারা তার কাছে গিয়ে পরিচয় ও স্বজনদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম মো. হাঞ্জালা (৩)। তার পিতা মো. শাহিন এবং মাতা কল্পনা আক্তার। তাদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার বালীআটা গ্রামে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শিশুটি তার মা ও নানির সঙ্গে হাসপাতালে এসেছিল। কিন্তু হাসপাতালের ব্যস্ততা ও ভিড়ের মধ্যে অসাবধানতাবশত তাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ স্বজনদের খুঁজে না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে সে।
বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে নেন টহলরত পিসি মো. মুনসুর আলী ও এপিসি মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বাধীন আনসার সদস্যরা। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, করিডোর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অনুসন্ধান চালানো হয়। পাশাপাশি মাইকিংয়ের মাধ্যমেও শিশুটির অভিভাবকদের সন্ধান শুরু করা হয়।
নিরবচ্ছিন্ন অনুসন্ধান ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে সকাল আনুমানিক ১১টা ১০ মিনিটে শিশুটির মা ও নানির খোঁজ পাওয়া যায়। এর আগ পর্যন্ত শিশুটিকে সর্বোচ্চ যত্ন ও নিরাপত্তার সঙ্গে আনসার সদস্যদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে শিশুটিকে তার মা ও নানির কাছে হস্তান্তর করা হয়। হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।
তারা আনসার সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণেই অল্প সময়ের মধ্যে শিশুটিকে নিরাপদে ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
What's Your Reaction?