আফগানরা অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে: তাতার

পাকিস্তানের কঠোর পাল্টা জবাবের পর আফগান তালেবান শাসনের সদস্যরা নিজেদের অবস্থান ছেড়ে পিছু হটেছে। তারা অস্ত্র ও নিহতদের মরদেহ ফেলে গেছে বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তাতার। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী বেশ কয়েকটি পোস্ট দখল করেছে। সাম্প্রতিক সীমান্ত সংঘর্ষে আফগান তালেবান সরকারের সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর যোগসূত্র স্পষ্ট হয়েছে। তিনি বলেন, আফগান তালেবান শাসন পাকিস্তানের ভেতরে হামলা পরিচালনাকারী সন্ত্রাসীদের সমর্থন দিচ্ছে। এদিকে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে বিনা উসকানির আগ্রাসনের জবাবে পরিচালিত অভিযানে এ পর্যন্ত অন্তত ২৭৪ জন তালেবান সদস্য ও সহযোগী জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তান আইএসপিআরের মহাপরিচালক আহমেদ শরিফ চৌধুরি। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারির রাতে আফগানিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসী আস্তানায় লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, আফগান তালেবান সরকার পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে তথাকথিত অভিযান শুরু

আফগানরা অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে: তাতার

পাকিস্তানের কঠোর পাল্টা জবাবের পর আফগান তালেবান শাসনের সদস্যরা নিজেদের অবস্থান ছেড়ে পিছু হটেছে। তারা অস্ত্র ও নিহতদের মরদেহ ফেলে গেছে বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তাতার।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী বেশ কয়েকটি পোস্ট দখল করেছে। সাম্প্রতিক সীমান্ত সংঘর্ষে আফগান তালেবান সরকারের সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর যোগসূত্র স্পষ্ট হয়েছে।

তিনি বলেন, আফগান তালেবান শাসন পাকিস্তানের ভেতরে হামলা পরিচালনাকারী সন্ত্রাসীদের সমর্থন দিচ্ছে।

এদিকে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে বিনা উসকানির আগ্রাসনের জবাবে পরিচালিত অভিযানে এ পর্যন্ত অন্তত ২৭৪ জন তালেবান সদস্য ও সহযোগী জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তান আইএসপিআরের মহাপরিচালক আহমেদ শরিফ চৌধুরি। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারির রাতে আফগানিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসী আস্তানায় লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হয়।

তিনি জানান, আফগান তালেবান সরকার পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে তথাকথিত অভিযান শুরু করে। এ অভিযানের নামে সীমান্তের ১৫টি সেক্টরের ৫৩টি স্থানে গুলি চালানো হয়েছে। তবে এসব কার্যকরভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। 

আইএসপিআরের মহাপরিচালক বলেন, খাইবার পাখতুনখোয়ার চিত্রাল, খাইবার, মোহমান্দ, কুররম ও বাজাউরসহ একাধিক সেক্টরে তালেবান যোদ্ধাদের গুলিবর্ষণের জবাবে পাকিস্তান পূর্ণ শক্তিতে পাল্টা আঘাত হানে।

তিনি বলেন, অভিযানে ২৭৪ জন তালেবান সদস্য ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ৪০০-র বেশি আহত হয়েছেন। এ সময় ৭৪টির বেশি পোস্ট ধ্বংস এবং ১৮টি চেকপোস্ট পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযানে ১১৫টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, নাঙ্গারহার, লাগমান ও পাকতিকা প্রদেশের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে এবং কাবুলে একটি ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। কান্দাহারে একটি ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংসের দাবিও করেন তিনি।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow