আবারও বিশ্বসেরা আফগানিস্তানের জাফরান

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে উৎপাদিত জাফরান আবারও বিশ্বসেরা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ব্রাসেলসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল টেস্ট ইনস্টিটিউটের দেওয়া সুপিরিয়র টেস্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ অর্জন করেছে হেরাতের জাফরান। ইনস্টিটিউট জানায়, বিভিন্ন দেশের জাফরান আন্তর্জাতিক মানের শেফদের একটি প্যানেল স্বাদ, সুগন্ধ, রং ও সামগ্রিক গুণগত মানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করেন। ‘হার্বস অ্যান্ড স্পাইসেস’ বিভাগে সব ক্যাটাগরিতে শীর্ষে উঠে আসে হেরাত সাফরান। বিচারকেরা এর উজ্জ্বল রং, সমৃদ্ধ স্বাদ ও স্বতন্ত্র সুগন্ধের বিশেষ প্রশংসা করেন। টানা দশম বছরের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেল হেরাতের জাফরান। এটি হেরাতের কৃষি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে এবং কৃষকদের জন্য লাভজনক ফসল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। যদিও অন্য প্রদেশেও জাফরান চাষ বাড়ছে, তবে হেরাতই এখনো দেশের প্রধান কেন্দ্র। তবে সাফল্যের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও দীর্ঘ খরার কারণে উৎপাদন কমেছে। আফগানিস্তান স্যাফরান ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সৌর বছরে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৪০ টন। পানির সংকট ও কারিগরি সহায়তার অভাব উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞ

আবারও বিশ্বসেরা আফগানিস্তানের জাফরান

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে উৎপাদিত জাফরান আবারও বিশ্বসেরা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ব্রাসেলসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল টেস্ট ইনস্টিটিউটের দেওয়া সুপিরিয়র টেস্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ অর্জন করেছে হেরাতের জাফরান।

ইনস্টিটিউট জানায়, বিভিন্ন দেশের জাফরান আন্তর্জাতিক মানের শেফদের একটি প্যানেল স্বাদ, সুগন্ধ, রং ও সামগ্রিক গুণগত মানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করেন। ‘হার্বস অ্যান্ড স্পাইসেস’ বিভাগে সব ক্যাটাগরিতে শীর্ষে উঠে আসে হেরাত সাফরান। বিচারকেরা এর উজ্জ্বল রং, সমৃদ্ধ স্বাদ ও স্বতন্ত্র সুগন্ধের বিশেষ প্রশংসা করেন।

টানা দশম বছরের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেল হেরাতের জাফরান। এটি হেরাতের কৃষি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে এবং কৃষকদের জন্য লাভজনক ফসল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। যদিও অন্য প্রদেশেও জাফরান চাষ বাড়ছে, তবে হেরাতই এখনো দেশের প্রধান কেন্দ্র।

তবে সাফল্যের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও দীর্ঘ খরার কারণে উৎপাদন কমেছে। আফগানিস্তান স্যাফরান ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সৌর বছরে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৪০ টন। পানির সংকট ও কারিগরি সহায়তার অভাব উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাফরান রপ্তানি বাড়াতে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। কৃষকদের সহায়তা, উন্নত সেচব্যবস্থা ও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা গেলে বিশ্ব জাফরান বাজারে আফগানিস্তানের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে। সূত্র : কাবুল নাউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow