আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
সাময়িক সময়ের জন্য খুলে দেওয়ার পর আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অব্যাহত রাখার প্রতিবাদে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। ইরানের সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ‘জলদস্যুতার’ শামিল। এ কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের সামরিক বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থাপনায় ও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ পর্যন্ত ইরান থেকে ছেড়ে যাওয়া ও ইরানের বন্দরমুখী জাহাজগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত না করবে, ততক্ষণ হরমুজে এ অবরোধ চলমান থাকবে। গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে সম্মত হয়েছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ থামবে না। যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থানের পাল্টা কর্মসূচি হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি ও তেল পরিবহন হয় হরমুজ প্
সাময়িক সময়ের জন্য খুলে দেওয়ার পর আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অব্যাহত রাখার প্রতিবাদে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
ইরানের সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ‘জলদস্যুতার’ শামিল। এ কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের সামরিক বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থাপনায় ও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ পর্যন্ত ইরান থেকে ছেড়ে যাওয়া ও ইরানের বন্দরমুখী জাহাজগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত না করবে, ততক্ষণ হরমুজে এ অবরোধ চলমান থাকবে।
গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে সম্মত হয়েছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ থামবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থানের পাল্টা কর্মসূচি হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি ও তেল পরিবহন হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরু হওয়ার পর এ প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে ইরান। এরপর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি ও তেলের তীব্রে সংকট শুরু হয়। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হলে স্বস্তি ফেরে আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু ইরান আবারও হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো বিশ্বে আবারও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
What's Your Reaction?