আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান

মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধ করে দিয়েছে ইরান—এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ চালিয়ে যাওয়ায় প্রতিক্রিয়াস্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এর আগে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা দিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতির সময়কালে হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য “সম্পূর্ণ উন্মুক্ত” থাকবে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রণালী ব্যবসার জন্য খোলা থাকলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না একটি শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়। বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিস ডুসে তেহরান থেকে জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও বিভ্রান্তিকর করে তুলেছে। তবে জাহাজ ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট MarineTraffic-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবারও কিছু তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে প্রণালী অতিক্রম করতে দেখা গেছে, যা পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এদিকে প্র

আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান

মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধ করে দিয়েছে ইরান—এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ চালিয়ে যাওয়ায় প্রতিক্রিয়াস্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

এর আগে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা দিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতির সময়কালে হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য “সম্পূর্ণ উন্মুক্ত” থাকবে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রণালী ব্যবসার জন্য খোলা থাকলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না একটি শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়।

বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিস ডুসে তেহরান থেকে জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও বিভ্রান্তিকর করে তুলেছে।

তবে জাহাজ ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট MarineTraffic-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবারও কিছু তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে প্রণালী অতিক্রম করতে দেখা গেছে, যা পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান সব শর্তে সম্মত হয়েছে—যার মধ্যে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। তবে এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান।

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান এই টানাপোড়েন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে, কারণ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow