আবাসিক হোটেলে মিলল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ

হবিগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে জনতা ব্যাংকের সাবেক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে শহরের আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সে অবস্থিত ‘সোনারতরী’ হোটেলের ৪২৫ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত ব্যক্তির নাম মো. কামরুল হাসান (৬৫)। তিনি জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ছিলেন। এক সময় তিনি জনতা ব্যাংক হবিগঞ্জ শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি জেলার মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। হোটেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ দুপুরে কামরুল হাসান ওই হোটেলের ৪২৫ নম্বর কক্ষে ওঠেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি সেখানেই অবস্থান করছিলেন। সোমবার দুপুরে হোটেলের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কক্ষটি পরিষ্কারের জন্য দরজায় নক করেন। ভেতর থেকে দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি হোটেল ম্যানেজারকে জানানো হয়। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দিলে সদর মডেল থানার এসআই ধ্রুবেশের নেতৃত্বে পুলিশ এসে কক্ষের দরজা ভেঙে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে। হোটেল সোনারতরীর ম্যানেজার ধীমান কান্তি নাথ জানান, নিহত অতিথি কয়েকদিন ধরেই আমাদের এখানে অবস্থান করছিলেন। সোমবার

আবাসিক হোটেলে মিলল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ

হবিগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে জনতা ব্যাংকের সাবেক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে শহরের আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সে অবস্থিত ‘সোনারতরী’ হোটেলের ৪২৫ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত ব্যক্তির নাম মো. কামরুল হাসান (৬৫)। তিনি জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ছিলেন। এক সময় তিনি জনতা ব্যাংক হবিগঞ্জ শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি জেলার মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ দুপুরে কামরুল হাসান ওই হোটেলের ৪২৫ নম্বর কক্ষে ওঠেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি সেখানেই অবস্থান করছিলেন। সোমবার দুপুরে হোটেলের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কক্ষটি পরিষ্কারের জন্য দরজায় নক করেন। ভেতর থেকে দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি হোটেল ম্যানেজারকে জানানো হয়। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দিলে সদর মডেল থানার এসআই ধ্রুবেশের নেতৃত্বে পুলিশ এসে কক্ষের দরজা ভেঙে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে।

হোটেল সোনারতরীর ম্যানেজার ধীমান কান্তি নাথ জানান, নিহত অতিথি কয়েকদিন ধরেই আমাদের এখানে অবস্থান করছিলেন। সোমবার দুপুরে তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা পুলিশকে বিষয়টি জানাই। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। 

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শহিদুল হক মুন্সী জানান, প্রাথমিক তদন্তে মরদেহে কোনো সন্দেহজনক আলামত পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ নিহতের ব্যবহৃত একটি মোবাইল উদ্ধার করেছে। তবে ফোনটি লক থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ বর্তমানে তার স্বজনদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow