আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। এদিন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সিয়ামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিকালে সিয়ামের পক্ষে আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে বক্তব্য দেন। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলামসহ একাধিক আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন সিয়ামকে গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওইদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। শুনানিতে সিয়ামের আইনজীবী বলেন, সিয়াম শুধু বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিন

আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

এদিন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সিয়ামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিকালে সিয়ামের পক্ষে আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে বক্তব্য দেন।

অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলামসহ একাধিক আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন সিয়ামকে গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওইদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

শুনানিতে সিয়ামের আইনজীবী বলেন, সিয়াম শুধু বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, দুদক একই অভিযোগ বারবার এনে দ্বিমুখী আচরণ করছে এবং অভিযোগে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের নির্দিষ্ট অঙ্ক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি আবেদ আলী, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পী এবং ছেলে সিয়ামের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আবেদ আলীর ১২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৪১ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, আবেদ আলীর স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পীর বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ এবং তার ব্যাংক হিসাবে সাড়ে ৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগ নেতা সিয়ামের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনেছে দুদক।

এমডিএএ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow