‘আমরা দোষী না হলে মুক্তি দিন’ প্রিজন ভ্যান থেকে সাবিনা আক্তার তুহিন

‘আমরা যদি দোষী না হয়ে থাকি, তাহলে আমাদের মুক্তি দেওয়া হোক’ রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নেওয়ার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিন। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে জয় বাংলা ব্রিগেড নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জুম মিটিং কেন্দ্র করে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আগামী ১৫ এপ্রিল নতুন করে অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, ‘আমরা চাই ন্যায়বিচার করা হোক। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও বলতে পারছেন না আমাদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ। আমাদের জামিনও দেওয়া হচ্ছে না। কোনো আসামিকে আটক রাখতে হলে তো সন্দেহাতীতভাবে দোষ প্রমাণ থাকতে হয়। এখানে সেটিও নেই। আমরা চাই আমাদের জামিন দেওয়া হোক।’ মামলার নথি অনুযায়ী, এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ

‘আমরা দোষী না হলে মুক্তি দিন’ প্রিজন ভ্যান থেকে সাবিনা আক্তার তুহিন

‘আমরা যদি দোষী না হয়ে থাকি, তাহলে আমাদের মুক্তি দেওয়া হোক’ রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নেওয়ার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিন।

সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে জয় বাংলা ব্রিগেড নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জুম মিটিং কেন্দ্র করে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আগামী ১৫ এপ্রিল নতুন করে অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, ‘আমরা চাই ন্যায়বিচার করা হোক। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও বলতে পারছেন না আমাদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ। আমাদের জামিনও দেওয়া হচ্ছে না। কোনো আসামিকে আটক রাখতে হলে তো সন্দেহাতীতভাবে দোষ প্রমাণ থাকতে হয়। এখানে সেটিও নেই। আমরা চাই আমাদের জামিন দেওয়া হোক।’

মামলার নথি অনুযায়ী, এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত জুম মিটিংয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম গঠন করা হয়। ওই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের কেউ কেউ গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে পলাতক শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর পদে প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করেন এবং এ লক্ষ্যে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৫৭৭ জন ওই জুম মিটিংয়ে অংশ নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. এনামুল হক গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow