'আমাকে মেরে না ফেললে মামলা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না'

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা বলেছেন, আমাকে মেরে না ফেললে ৬৪ কেন, ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় মুফতি আমির হামজা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হয়েছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে অতীতের বিভিন্ন বক্তব্য কেটে ভুলভাবে উপস্থাপন করে মানহানির মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হয়েছে। আমার এই থানা বিক্রি করলেও কি এত টাকা হবে?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ঝাটা মিছিল করা হয়েছে এবং এতে যাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নেই বলেও মন্তব্য করেন। এসব ঘটনাকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন তিনি। ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জামায়াত প্রার্থী বলেন, দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ জামায়া

'আমাকে মেরে না ফেললে মামলা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না'

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা বলেছেন, আমাকে মেরে না ফেললে ৬৪ কেন, ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জনসভায় মুফতি আমির হামজা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হয়েছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে অতীতের বিভিন্ন বক্তব্য কেটে ভুলভাবে উপস্থাপন করে মানহানির মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হয়েছে। আমার এই থানা বিক্রি করলেও কি এত টাকা হবে?”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ঝাটা মিছিল করা হয়েছে এবং এতে যাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নেই বলেও মন্তব্য করেন। এসব ঘটনাকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জামায়াত প্রার্থী বলেন, দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো বিকল্প নেই। তিনি দলের নির্বাচনি স্লোগান ‘আল্লাহর আইন চাই’ উল্লেখ করে বলেন, যারা আল্লাহর আইন চায় তাদের ইসলামবিরোধী বলা অযৌক্তিক।

রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন, নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান তিনি। অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, খুন ও গুমের রাজনীতি বাংলাদেশে আর ফিরে আসুক এটি জনগণ চায় না।

নারী অধিকার ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে মুফতি আমির হামজা বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ক্ষমতায় গেলে নারী ও মেয়েরা সবচেয়ে নিরাপদ থাকবে এবং সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। তিনি এলাকায় শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবন, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দেন।

এছাড়া কুষ্টিয়ায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেয়েদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। আকিজ গ্রুপের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগের বিষয় উল্লেখ করে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি শাখা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনার কথাও বলেন।

আসরের নামাজের সময় হলে সমাবেশস্থলেই নামাজের আয়োজন করা হয়। এ সময় মুফতি আমির হামজা নিজেই মুসল্লিদের ইমামতি করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow