আমি আমার চেয়ারেই বসব : আমিনুল ইসলাম বুলবুল
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একের পর এক পরিচালক পদত্যাগ করছেন। পদত্যাগকারী পরিচালকেরা হলেন- ফাইয়াজুর রহমান, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম, মনজুর আলম, ইশতিয়াক সাদেক, আমজাদ হোসেন ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল। তবে সহকর্মীদের বিদায়েও কোনো হেলদোল নেই বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। তিনি একাই সভাপতির দায়িত্বে বসে থাকতে চান বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার চেয়ারেই বসব, এছাড়া আমি আর কী করতে পারি? সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই হব সেই ব্যক্তি। আমার একটি অত্যন্ত নিবেদিত ও সৎ দল রয়েছে, তাদের নিয়ে আমি দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে চাই।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘কেউই অপরিহার্য নয়। আমি আইসিসিতে কাজ করা একমাত্র বাংলাদেশি। আমি বলছি না আমি বিশাল কিছু, কিন্তু অভিজ্ঞতার কারণেই আমি এখানে বসেছি। দেশের জন্য সবকিছু ছেড়ে এখানে এসেছি। যদি পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকে, তবে অন্য পথ দেখব, কিন্তু আপাতত আমি দেশের পাশেই থাকতে চাই।’
তদন্ত কমিটির মুখোমুখি না হওয়া প্রসঙ্গে আমিনুল জানান, সময়ের সাথে সমন্বয় না হওয়ায় তিনি সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা কাউন্সিলর
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একের পর এক পরিচালক পদত্যাগ করছেন। পদত্যাগকারী পরিচালকেরা হলেন- ফাইয়াজুর রহমান, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম, মনজুর আলম, ইশতিয়াক সাদেক, আমজাদ হোসেন ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল। তবে সহকর্মীদের বিদায়েও কোনো হেলদোল নেই বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। তিনি একাই সভাপতির দায়িত্বে বসে থাকতে চান বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার চেয়ারেই বসব, এছাড়া আমি আর কী করতে পারি? সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই হব সেই ব্যক্তি। আমার একটি অত্যন্ত নিবেদিত ও সৎ দল রয়েছে, তাদের নিয়ে আমি দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে চাই।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘কেউই অপরিহার্য নয়। আমি আইসিসিতে কাজ করা একমাত্র বাংলাদেশি। আমি বলছি না আমি বিশাল কিছু, কিন্তু অভিজ্ঞতার কারণেই আমি এখানে বসেছি। দেশের জন্য সবকিছু ছেড়ে এখানে এসেছি। যদি পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকে, তবে অন্য পথ দেখব, কিন্তু আপাতত আমি দেশের পাশেই থাকতে চাই।’
তদন্ত কমিটির মুখোমুখি না হওয়া প্রসঙ্গে আমিনুল জানান, সময়ের সাথে সমন্বয় না হওয়ায় তিনি সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা কাউন্সিলর মনোনয়নে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সাথে আমার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অ্যাড-হক কমিটির মাধ্যমেই কাউন্সিলরদের নাম আসার কথা। যখন আমরা দেখলাম মাত্র ৩টি নাম এসেছে, তখন আমরা জেলা ও বিভাগগুলোকে পুনরায় চিঠি পাঠিয়ে নাম পাঠাতে বলেছিলাম। এই একটি জায়গাতেই আমার সম্পৃক্ততা ছিল।’