আরও ৫ আসনের রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে আরও ৫ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।  বুধবার (১১ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আসনগুলো হলো- ঢাকা ১৩, গাইবান্ধা ৫, ঢাকা ৫, পাবনা ৩ ও কুষ্টিয়া ৪ আসন।  এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ঢাকা-১৩ আসনের খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, গাইবান্ধা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার, ঢাকা ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ, পাবনা ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া ৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২৫ এর অধিক প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।  গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্ব

আরও ৫ আসনের রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে আরও ৫ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

বুধবার (১১ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আসনগুলো হলো- ঢাকা ১৩, গাইবান্ধা ৫, ঢাকা ৫, পাবনা ৩ ও কুষ্টিয়া ৪ আসন। 

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ঢাকা-১৩ আসনের খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, গাইবান্ধা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার, ঢাকা ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ, পাবনা ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া ৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২৫ এর অধিক প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদিসংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow