আরেকটি মাইলফলকের সামনে মুমিনুল হক

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের নির্ভরতার আরেক নাম মুমিনুল হক। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বছরের পর বছর দলের ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে থাকা এই বাঁহাতি ব্যাটার এখন দাঁড়িয়ে আছেন নতুন এক মাইলফলকের সামনে। আর মাত্র ১৪১ রান করলেই টেস্টে পাঁচ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করবেন তিনি। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এই কীর্তি গড়া তৃতীয় ব্যাটার হবেন মুমিনুল। এর আগে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন শুধু তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ দলের হয়ে এখন কেবল টেস্ট ফরম্যাটেই নিয়মিত খেলছেন মুমিনুল। তবে লাল বলের ক্রিকেটে তার অবদান বরাবরই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। ৭৫ টেস্টে ৪৮৫৯ রান করা এই ব্যাটারের ক্যারিয়ারে রয়েছে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৫টি ফিফটি। সংখ্যাগুলোই বলে দেয়, দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে ইনিংস গড়ে খেলার ধৈর্য, স্পিন সামলানোর দক্ষতা এবং উইকেটে থিতু হয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য তাকে দেশের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটারে পরিণত করেছে। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে প্রথম পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন তামিম ইকবাল। মাত্র ১২৯ ইনিংসে সেই কীর্তি গড়ে দ্রুততম বাংলাদেশ

আরেকটি মাইলফলকের সামনে মুমিনুল হক

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের নির্ভরতার আরেক নাম মুমিনুল হক। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বছরের পর বছর দলের ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে থাকা এই বাঁহাতি ব্যাটার এখন দাঁড়িয়ে আছেন নতুন এক মাইলফলকের সামনে। আর মাত্র ১৪১ রান করলেই টেস্টে পাঁচ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করবেন তিনি। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এই কীর্তি গড়া তৃতীয় ব্যাটার হবেন মুমিনুল। এর আগে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন শুধু তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম।

বাংলাদেশ দলের হয়ে এখন কেবল টেস্ট ফরম্যাটেই নিয়মিত খেলছেন মুমিনুল। তবে লাল বলের ক্রিকেটে তার অবদান বরাবরই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। ৭৫ টেস্টে ৪৮৫৯ রান করা এই ব্যাটারের ক্যারিয়ারে রয়েছে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৫টি ফিফটি। সংখ্যাগুলোই বলে দেয়, দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে ইনিংস গড়ে খেলার ধৈর্য, স্পিন সামলানোর দক্ষতা এবং উইকেটে থিতু হয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য তাকে দেশের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটারে পরিণত করেছে।

বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে প্রথম পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন তামিম ইকবাল। মাত্র ১২৯ ইনিংসে সেই কীর্তি গড়ে দ্রুততম বাংলাদেশি হিসেবেও রেকর্ড গড়েছিলেন দেশসেরা এই ওপেনার। পরে মুশফিকুর রহিম ১৪৯ ইনিংসে পৌঁছান পাঁচ হাজার রানে। মুমিনুলও এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১২৯ ইনিংস। ফলে আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে ১৪১ রান করতে পারলে দ্রুততম পাঁচ হাজার রান করার তালিকায় মুশফিককে ছাড়িয়ে যাবেন তিনি। যদিও তামিমের রেকর্ড স্পর্শ করতে হলে এই সিরিজেই বড় কিছু করতে হবে তাকে।

ঘরের মাঠে বরাবরই আত্মবিশ্বাসী দেখা যায় মুমিনুলকে। মিরপুরের পরিচিত উইকেটে তার ব্যাটে এসেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকতায় কিছুটা ঘাটতি থাকলেও অভিজ্ঞতা ও টেস্ট মেজাজে খেলার সামর্থ্য তাকে এখনও দলের অন্যতম বড় ভরসা হিসেবে রেখেছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করার মানসিকতা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলে ইনিংস গড়ে তোলার ক্ষমতা বাংলাদেশ দলের জন্য এখনো বড় সম্পদ।

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে ব্যাটিংয়ের পরিসংখ্যানেও আলাদা অবস্থান রয়েছে এই তিন ক্রিকেটারের। তামিম ইকবাল ১৩৪ ইনিংসে ৫১৩৪ রান করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন। অন্যদিকে মুশফিকুর রহিম এখনো দেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। শততম টেস্ট খেলা এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের সংগ্রহ ১৮৪ ইনিংসে ৬৫১০ রান। আর সেই তালিকায় নতুন উচ্চতায় নাম লেখানোর অপেক্ষায় এখন মুমিনুল হক। পাকিস্তান সিরিজেই হয়তো বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়ের অংশ হয়ে যাবেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow