আর্কটিক ঠান্ডায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ধরাশায়ী ম্যানসিটি
নরওয়ের বরফ-ঢাকা রাতে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার সিটির জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগ সফরটি পরিণত হলো চূড়ান্ত বিপর্যয়ে। নরওয়ের ক্লাব বডো/গ্লিমটের কাছে ৩–১ গোলে হেরে শুধু ম্যাচই হারাল না পেপ গার্দিওলার দল; সেই সাথে লাল কার্ড দেখায় শেষ গ্রুপ ম্যাচেও হারাতে হলো রদ্রিকেও। ফলে গালাতাসারায়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ এখন সিটির জন্য কার্যত ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ হয়ে দাঁড়াল।
ম্যাচের শুরু থেকেই সিটির রক্ষণ ছিল দুর্বল ও অস্থির। তৃতীয় মিনিটেই দ্রুত কাউন্টার-অ্যাটাকে প্রায় গোল খেয়ে বসেছিল তারা। এরপর বল দখলে আধিপত্য দেখালেও হাই ডিফেন্সিভ লাইন ও অনভিজ্ঞ রক্ষণের কারণে বারবার ধরা পড়ে যায় সিটি।
২২ মিনিটে সেই দুর্বলতার মূল্য দেয় তারা। ম্যাক্স অ্যালেইনের ভুলে বল পেয়ে ওলে দিদরিক ব্লমবার্গ ডান দিক থেকে ক্রস বাড়ান—আর কাসপার হগ হেডে বল ঢুকিয়ে দেন জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে।
দুই মিনিটের মধ্যেই আবার আঘাত। বাউন্সিং বলে অ্যালেইন আবারও বিভ্রান্ত—ব্লমবার্গের পাস থেকে হগ দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ২–০ করেন।
বিরতির আগে আর্লিং হলান্ড দুটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি—নিজ দেশে ফিরে যেন জমে গিয়েছিলেন সিটির স্ট্রাইকার।
দ
নরওয়ের বরফ-ঢাকা রাতে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার সিটির জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগ সফরটি পরিণত হলো চূড়ান্ত বিপর্যয়ে। নরওয়ের ক্লাব বডো/গ্লিমটের কাছে ৩–১ গোলে হেরে শুধু ম্যাচই হারাল না পেপ গার্দিওলার দল; সেই সাথে লাল কার্ড দেখায় শেষ গ্রুপ ম্যাচেও হারাতে হলো রদ্রিকেও। ফলে গালাতাসারায়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ এখন সিটির জন্য কার্যত ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ হয়ে দাঁড়াল।
ম্যাচের শুরু থেকেই সিটির রক্ষণ ছিল দুর্বল ও অস্থির। তৃতীয় মিনিটেই দ্রুত কাউন্টার-অ্যাটাকে প্রায় গোল খেয়ে বসেছিল তারা। এরপর বল দখলে আধিপত্য দেখালেও হাই ডিফেন্সিভ লাইন ও অনভিজ্ঞ রক্ষণের কারণে বারবার ধরা পড়ে যায় সিটি।
২২ মিনিটে সেই দুর্বলতার মূল্য দেয় তারা। ম্যাক্স অ্যালেইনের ভুলে বল পেয়ে ওলে দিদরিক ব্লমবার্গ ডান দিক থেকে ক্রস বাড়ান—আর কাসপার হগ হেডে বল ঢুকিয়ে দেন জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে।
দুই মিনিটের মধ্যেই আবার আঘাত। বাউন্সিং বলে অ্যালেইন আবারও বিভ্রান্ত—ব্লমবার্গের পাস থেকে হগ দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ২–০ করেন।
বিরতির আগে আর্লিং হলান্ড দুটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি—নিজ দেশে ফিরে যেন জমে গিয়েছিলেন সিটির স্ট্রাইকার।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৮ মিনিটে জেনস পেটার হাউগে একক নৈপুণ্যে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত কার্লিং শটে স্কোরলাইন ৩–০ করেন।
৬০ মিনিটে রায়ান চেরকি একটি গোল ফিরিয়ে দিলে সিটিতে আশা জাগে, কিন্তু সেই আশা ভেঙে যায় ৬২ মিনিটে। মাত্র ৫৪ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রদ্রি—আর ১০ জনের সিটির আর ফেরার পথ থাকে না।
এখন শেষ ম্যাচে গালাতাসারায়কে হারাতেই হবে সিটিকে—না হলে শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে তাদের প্লে-অফ খেলতে হবে। অন্যদিকে বডো/গ্লিমট নিজেদের রূপকথা আরও দীর্ঘ করল।