আর্জেন্টিনাকে খেলা ও রাজনীতি আলাদা রাখতে বললেন ইংলিশ মন্ত্রী
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপন এখন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনার ভাষায় লাস মালভিনাস) নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী একটি ব্যানার হাতে নেওয়ায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারেন লিওনেল মেসির সতীর্থরা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের একটি ব্যানারে লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’, যার অর্থ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।’ উদযাপনের একপর্যায়ে ব্যানারটি খেলোয়াড়দের হাতে পৌঁছে যায়। আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা সেটি হাতে নিয়ে বিজয় উদযাপন করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের এক মন্ত্রী তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতিকে কখনোই মিশিয়ে ফেলা উচিত নয় এবং বিশ্বকাপের অন্যতম মৌলিক নীতি হলো মাঠে রাজনৈতিক বার্তা থেকে বিরত থাকা।’ আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাজ্যের বিজনেস সেক্রেটারি জোনাথন রেনল্ডস কাইল বিবিসিকে বলেন, ‘রাজনীতি এবং ফুটবল আলাদা
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপন এখন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনার ভাষায় লাস মালভিনাস) নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী একটি ব্যানার হাতে নেওয়ায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারেন লিওনেল মেসির সতীর্থরা।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের একটি ব্যানারে লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’, যার অর্থ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।’
উদযাপনের একপর্যায়ে ব্যানারটি খেলোয়াড়দের হাতে পৌঁছে যায়। আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা সেটি হাতে নিয়ে বিজয় উদযাপন করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের এক মন্ত্রী তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতিকে কখনোই মিশিয়ে ফেলা উচিত নয় এবং বিশ্বকাপের অন্যতম মৌলিক নীতি হলো মাঠে রাজনৈতিক বার্তা থেকে বিরত থাকা।’
আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাজ্যের বিজনেস সেক্রেটারি জোনাথন রেনল্ডস কাইল বিবিসিকে বলেন, ‘রাজনীতি এবং ফুটবল আলাদা থাকা উচিত। বিশ্বকাপের অন্যতম মূলনীতি হলো রাজনীতিকে ফুটবল থেকে আলাদা রাখা। এখন বিষয়টি ফিফার হাতে। আমি আশা করি ফিফা এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা আশা করি ফিফা এ বিষয়ে তদন্ত করবে। এটি নিয়মের এতটাই স্পষ্ট লঙ্ঘন যে তদন্ত হওয়াই স্বাভাবিক। মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো স্থান নেই।’
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে বা ম্যাচ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক উদযাপনে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা আদর্শিক বার্তা প্রদর্শন নিষিদ্ধ। তাই ঘটনাটি শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হলে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন বা সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতে পারে।
উল্লেখ্য, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনায় ইসলাস মালভিনাস) নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্ব বিরোধ রয়েছে। ১৯৮২ সালে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধও হয়েছিল। সেই কারণে বিষয়টি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ইস্যু।
আরআর/আইএন
What's Your Reaction?