‘আর্জেন্টিনার খেলা দেখে টেনশন হচ্ছিল’— ‘ভুল’ বোঝার পর নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি ফিফা সভাপতির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর একটি ১১ সেকেন্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে স্প্যানিশ ভাষায় বলতে শোনা যায়, ‘আজ (কেপ ভার্দের বিপক্ষে) আর্জেন্টিনার খেলা দেখে আমার টেনশন হচ্ছিল, চাপ অনুভব করছিলাম।’ এরপরই নিজের ‘ভুল’ বুঝার পর তিনি বলেন, ‘আমি তো নিরপেক্ষ। শুধু আর্জেন্টিনা নয়, সব দলের ক্ষেত্রেই আমার একই রকম অনুভূতি হয়।’ ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, ফিফা কি আর্জেন্টিনার প্রতি পক্ষপাত দেখায়? ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর থেকেই এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে। এবারের বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার ডিফেন্ডার আইসা মান্দির ওপর লিওনেল মেসির একটি বিতর্কিত ট্যাকলের পরও কার্ড না দেখানোয় সেই বিতর্ক আবারও সামনে আসে। শনিবার (৪ জুন) সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সেই দাবি যেন আরো জোরালো হয়েছে। মায়ামিতে আজ কেপ ভার্দেকে হারাতে আর্জেন্টিনাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে চমক জাগানো দলটি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখান
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর একটি ১১ সেকেন্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে স্প্যানিশ ভাষায় বলতে শোনা যায়, ‘আজ (কেপ ভার্দের বিপক্ষে) আর্জেন্টিনার খেলা দেখে আমার টেনশন হচ্ছিল, চাপ অনুভব করছিলাম।’ এরপরই নিজের ‘ভুল’ বুঝার পর তিনি বলেন, ‘আমি তো নিরপেক্ষ। শুধু আর্জেন্টিনা নয়, সব দলের ক্ষেত্রেই আমার একই রকম অনুভূতি হয়।’
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, ফিফা কি আর্জেন্টিনার প্রতি পক্ষপাত দেখায়? ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর থেকেই এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে। এবারের বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার ডিফেন্ডার আইসা মান্দির ওপর লিওনেল মেসির একটি বিতর্কিত ট্যাকলের পরও কার্ড না দেখানোয় সেই বিতর্ক আবারও সামনে আসে।
শনিবার (৪ জুন) সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সেই দাবি যেন আরো জোরালো হয়েছে।
মায়ামিতে আজ কেপ ভার্দেকে হারাতে আর্জেন্টিনাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে চমক জাগানো দলটি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে শেষ হাসি হাসে আর্জেন্টিনা; জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোয়।
অনেকে ভাবছেন, মেসি-মার্তিনেজদের জিততে খুব কষ্ট করতে হয়েছে দেখেই হয়তো ইনফান্তিনো এ ধরনের কথা বলেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এটি কি সত্যিকারের ভিডিও নাকি ভুয়া?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় ফ্যাক্ট চেক (তথ্য যাচাই) করে জানা গেছে, ভাইরাল ভিডিও ক্লিপটিকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইনফান্তিনো যে সাতটি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন, তার মধ্যে স্প্যানিশ একটি।
তবে এআই বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি যেভাবে ছড়ানো হচ্ছে বা ইনফান্তিনোর বক্তব্য যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা আংশিক। পুরো বক্তব্য তুলে ধরা হয়নি।
তা ছাড়া ভিডিওতে স্টেডিয়ামের বাইরে ইনফান্তিনো শুধু একজন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন, আশপাশে অন্য কেউ ছিলেন না। তাই ভিডিওর সত্যতা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম স্টেডিয়াম অ্যাস্ট্রোও ফ্যাক্ট চেক করেছে। তাদের দাবি, ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভিডিওটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়ে থাকতে পারে, আংশিক সম্পাদিত বা বিকৃত অথবা সম্পূর্ণ ভুয়াও হতে পারে।
তাই কেউ যদি বলেন, জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আর্জেন্টিনার সমর্থক বলে ধরা পড়ার পর কথা ঘুরিয়েছেন—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
What's Your Reaction?