আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলাকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুর ফুটবলপ্রেমীদের

তীব্র তাপদাহ ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া উপজেলার ৯৪ হাজার গ্রাহকের জনজীবন। এরই মধ্যে রোববার (২৮ জুন)  সকালে আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের ফুটবল ম্যাচ চলাকালে কেন্দুয়া পৌরশহরে বার বার বিদ্যুৎ চলে গেলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন একদল ফুটবলপ্রেমী। তারা কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় অফিস ভবনের কয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। আকস্মিক হামলায় আতঙ্কিত হয়ে অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করেন। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. ওমর ফারুক জানান, উপজেলায় প্রায় ৯৪ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২৭ মেগাওয়াট হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৭ মেগাওয়াট।  তিনি বলেন, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাই, তা দিয়েই গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করতে হয়। এর বাইরে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের কথাও জানান তিনি।  কেন্দুয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার খবর পাওয়

আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলাকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুর ফুটবলপ্রেমীদের
তীব্র তাপদাহ ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া উপজেলার ৯৪ হাজার গ্রাহকের জনজীবন। এরই মধ্যে রোববার (২৮ জুন)  সকালে আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের ফুটবল ম্যাচ চলাকালে কেন্দুয়া পৌরশহরে বার বার বিদ্যুৎ চলে গেলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন একদল ফুটবলপ্রেমী। তারা কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় অফিস ভবনের কয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। আকস্মিক হামলায় আতঙ্কিত হয়ে অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করেন। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. ওমর ফারুক জানান, উপজেলায় প্রায় ৯৪ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২৭ মেগাওয়াট হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৭ মেগাওয়াট।  তিনি বলেন, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাই, তা দিয়েই গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করতে হয়। এর বাইরে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের কথাও জানান তিনি।  কেন্দুয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অফিসের কাজে বাইরে অবস্থান করছি যে কারণে অভিযোগ দিয়েছে কি-না জানতে পারিনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।  এ বিষয়ে নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আকরাম হোসেন জানান, সমিতির আওতায় নেত্রকোনার ১০টি উপজেলা এবং সুনামগঞ্জের দুটি উপজেলায় মোট ৬ লাখ ৭১ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেত্রকোনার ১০ উপজেলাতেই গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৫ হাজার। দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫৯ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, সরবরাহ ঘাটতির কারণে সব গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। যারা অফিসে হামলা চালিয়েছেন, তারা প্রকৃত পরিস্থিতি না বুঝেই এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow