আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, ১০ সিএ ফার্মের নথি তলব

ব্যাংক, শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আইপিও ও বোনাস শেয়ার জালিয়াতি করে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। এই আত্মসাতে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এ সংক্রান্ত অনুসন্ধানে ১০টি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্মের নথিপত্র তলব করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, পি কে হালদার, এস আলম, সালমান এফ রহমান ও সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষকসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক, শেয়ারবাজার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আইপিও ও বোনাস শেয়ার জালিয়াতি করে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জালিয়াতির মাধ্যমে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে । এ সংক্রান্তে একটি অনুসন্ধান দলও গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে তথ্য স

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, ১০ সিএ ফার্মের নথি তলব

ব্যাংক, শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আইপিও ও বোনাস শেয়ার জালিয়াতি করে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। এই আত্মসাতে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এ সংক্রান্ত অনুসন্ধানে ১০টি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্মের নথিপত্র তলব করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, পি কে হালদার, এস আলম, সালমান এফ রহমান ও সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষকসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক, শেয়ারবাজার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আইপিও ও বোনাস শেয়ার জালিয়াতি করে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জালিয়াতির মাধ্যমে ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে । এ সংক্রান্তে একটি অনুসন্ধান দলও গঠন করা হয়েছে।

অনুসন্ধানের স্বার্থে তথ্য সরবরাহের জন্য দ্য ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্টের কাছে এরই মধ্যে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানের জন্য সময়ের সীমাবদ্ধতা থাকায় বিষয়টি অতীব জরুরি। 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ১০টি সিএ ফার্মের নাম, ঠিকানা ও নিবন্ধন নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাঠানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—একনাবিন, এ কাশেম অ্যান্ড কোম্পানি, রহমান রহমান হক, হোদা ভাসী অ্যান্ড কোম্পানি, এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোম্পানি, ম্যাবস অ্যান্ড পার্টনারস, হাওলাদার ইউনুস অ্যান্ড কোম্পানি, খান এহান শাফির রহমান অ্যান্ড কোম্পানি, সিনাকি অ্যান্ড কোম্পানি ও এমএম রহমান অ্যান্ড কোম্পানি।

এসএম/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow