আ.লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকে বেধড়ক পেটালেন যুবদলের কর্মীরা
বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন স্থানীয় যুবদলের কর্মীরা। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের পিঙ্গলাকাঠী বাজার ও পৌরসভার কাসেমাবাদ গ্রামে পৃথকভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন - নলচিড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়া মুকুল ও পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কাওসার হোসেন। আহত আ.লীগ নেতা ফিরোজ মিয়া মুকুল বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে পিঙ্গলাকাঠী বাজারে যাই। এসময় আওয়ামী লীগ করে বাজারে আসছেন কেন বলে যুবদলের কয়েকজন নেতা আমাকে মারধর করেন। তাদের মধ্যে সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ফুয়াদ হোসেন এ্যানির ভাই যুবদল কর্মী শাহিন সরদার, ভাতিজা লেকাত ও সোহাগ সরদার ছিলেন। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় আমি পালিয়ে রক্ষা পেয়েছি। তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের ভয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছি। হামলার বিষয়ে জানতে যুবদল নেতা ফুয়াদ হোসেন এ্যানিকে ফোন দেওয়া হলে সাংবাদিক জানার পর তিনি মোবাইল কেটে দেন। ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কাওসার হোসেন
বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন স্থানীয় যুবদলের কর্মীরা।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের পিঙ্গলাকাঠী বাজার ও পৌরসভার কাসেমাবাদ গ্রামে পৃথকভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন - নলচিড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়া মুকুল ও পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কাওসার হোসেন।
আহত আ.লীগ নেতা ফিরোজ মিয়া মুকুল বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে পিঙ্গলাকাঠী বাজারে যাই। এসময় আওয়ামী লীগ করে বাজারে আসছেন কেন বলে যুবদলের কয়েকজন নেতা আমাকে মারধর করেন। তাদের মধ্যে সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ফুয়াদ হোসেন এ্যানির ভাই যুবদল কর্মী শাহিন সরদার, ভাতিজা লেকাত ও সোহাগ সরদার ছিলেন। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় আমি পালিয়ে রক্ষা পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের ভয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছি।
হামলার বিষয়ে জানতে যুবদল নেতা ফুয়াদ হোসেন এ্যানিকে ফোন দেওয়া হলে সাংবাদিক জানার পর তিনি মোবাইল কেটে দেন।
ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কাওসার হোসেন বলেন, সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে বেজহার গ্রামের যুবদল কর্মী নয়ন আমাকে বাসা থেকে ডেকে নেন। বাসা থেকে বের হওয়ার পরই কাসেমাবাদ গ্রামের লাল মিয়া সরদারের ছেলে যুবদল কর্মী হীরা সরদারের নেতৃত্বে নয়ন ও হীরাসহ ৮/১০ জন আমাকে পিটিয়ে আহত করে ফেলে যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নয়ন ও হীরার ফোন বন্ধ পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। তবে এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?