আ.লীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে আহত ৩ পুলিশ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।  রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের বাগদা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই সেলিম রেজা, এসআই মীর কায়েস ও এসআই মমিনুল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে বাগদা বাজার এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এবং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোবায়ের হাসান শফিক মাহমুদ গোলাপকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে যায় পুলিশ। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশ সদস্যদের বাড়ির ভেতরে অবরুদ্ধ করে মারধর করেন। পাশাপাশি পুলিশের দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। হামলার একপর্যায়ে তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীনের নির্দেশে সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারীর নেতৃত্বে একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর

আ.লীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে আহত ৩ পুলিশ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। 

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের বাগদা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই সেলিম রেজা, এসআই মীর কায়েস ও এসআই মমিনুল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে বাগদা বাজার এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এবং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোবায়ের হাসান শফিক মাহমুদ গোলাপকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে যায় পুলিশ। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশ সদস্যদের বাড়ির ভেতরে অবরুদ্ধ করে মারধর করেন। পাশাপাশি পুলিশের দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

হামলার একপর্যায়ে তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীনের নির্দেশে সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারীর নেতৃত্বে একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর একটি দল মেজর মাসুমের নেতৃত্বে এলাকায় তল্লাশি চালায়। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা উজ্জ্বল মিয়া বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। আইন অমান্যকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রশাসনই যখন নিরাপদ নয়, তখন সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে- এ নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow