আলোচিত ‘জাবান হোটেল’ মালিক শেখ বাদল গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীর বহুল আলোচিত ‘জাবান হোটেল’-এর মালিক শেখ বাদল আহমেদকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানার একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে (মামলা নং-১২০৯) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় শেখ বাদলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতে দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ বাদলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন (১৯৭৪) এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ (১৯০৮) একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, টঙ্গীর ‘জাবান হোটেল’কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নানা অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয়ে আসছিল। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন। ইতোপূর্বে হোটেলটিতে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলেও জানা গেছে। যদিও সেসব

আলোচিত ‘জাবান হোটেল’ মালিক শেখ বাদল গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীর বহুল আলোচিত ‘জাবান হোটেল’-এর মালিক শেখ বাদল আহমেদকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানার একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে (মামলা নং-১২০৯) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় শেখ বাদলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতে দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ বাদলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন (১৯৭৪) এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ (১৯০৮) একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টঙ্গীর ‘জাবান হোটেল’কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নানা অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয়ে আসছিল। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন। ইতোপূর্বে হোটেলটিতে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলেও জানা গেছে। যদিও সেসব অভিযানের বিষয়ে সবসময় আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেখ বাদল নিজেকে প্রবাসভিত্তিক সংগঠন ‘জার্মান আওয়ামী লীগ’-এর সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন বলে এলাকায় প্রচলিত রয়েছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বাদল দাবি করেন, তিনি একজন ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ এবং তার হোটেলের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow