আলোচিত পাশাতেই আস্থা ১১ দলীয় জোটের
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন আলোচিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহিনুর পাশা চৌধুরী। এই আসনে জোটের আরও তিন দলের প্রার্থীকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন ভাগিয়ে এনেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় কালবেলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শাহিনুর পাশা চৌধুরী নিজে।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর শুকরিয়া এবং ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি মোবারকবাদ জানাই৷ তারা সঠিকভাবে মাঠের জনপ্রিয়তা যাচাই-বাছাই করে আমাকে মূল্যায়ন করেছেন। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় আগামী দিনে সুনামগঞ্জ-৩ আসন ১১ দলীয় জোটকে উপহার দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।’
জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে শাহিনুর পাশা চৌধুরী বলেন, ‘আমি এরই মধ্যে ৬ বার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে একবার এমপিও হয়েছিলাম। এ পর্যন্ত পৌঁছাতে আমার ৩৫ বছর সময় লেগেছে। আমার প্রতিপক্ষের প্রার্থী যারা রয়েছেন তারা নির্বাচনের মাঠে একেবারে
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন আলোচিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহিনুর পাশা চৌধুরী। এই আসনে জোটের আরও তিন দলের প্রার্থীকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন ভাগিয়ে এনেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় কালবেলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শাহিনুর পাশা চৌধুরী নিজে।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর শুকরিয়া এবং ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি মোবারকবাদ জানাই৷ তারা সঠিকভাবে মাঠের জনপ্রিয়তা যাচাই-বাছাই করে আমাকে মূল্যায়ন করেছেন। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় আগামী দিনে সুনামগঞ্জ-৩ আসন ১১ দলীয় জোটকে উপহার দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।’
জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে শাহিনুর পাশা চৌধুরী বলেন, ‘আমি এরই মধ্যে ৬ বার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে একবার এমপিও হয়েছিলাম। এ পর্যন্ত পৌঁছাতে আমার ৩৫ বছর সময় লেগেছে। আমার প্রতিপক্ষের প্রার্থী যারা রয়েছেন তারা নির্বাচনের মাঠে একেবারে নতুন। কাজেই প্রতিপক্ষকে আমার কাছে মোটেই কঠিন মনে হচ্ছে না। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বিতর্কিত ডামি নির্বাচনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সোনালি আঁশ প্রতীকে নির্বাচন করেন মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জমিয়ত। তুমুল বিতর্কের মুখে ওই নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারান তিনি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগ দেন শাহিনুর পাশা। বর্তমানে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।