আলোচিত শিশু আয়নী হত্যা মামলার রায় সোমবার
চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকায় ৯ বছরের শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর হত্যা এবং মরদেহ গুমের বহুল আলোচিত মামলার রায় আগামীকাল সোমবার (২০ জুলাই) ঘোষণা করবেন আদালত। চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান রায় ঘোষণা করবেন। আদালত সূত্র জানায়, মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের জেরা শেষ হয়েছে। পরে আদালত আসামি সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেন। আত্মপক্ষ সমর্থন শেষে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ করে রায়ের জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ পাহাড়তলী এলাকার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়নী নিখোঁজ হয়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় তার মা পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তদন্তে স্থানীয় সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজের নয় দিন পর পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার একটি ডোবা থেকে আয়নীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শিশুট
চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকায় ৯ বছরের শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর হত্যা এবং মরদেহ গুমের বহুল আলোচিত মামলার রায় আগামীকাল সোমবার (২০ জুলাই) ঘোষণা করবেন আদালত। চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান রায় ঘোষণা করবেন।
আদালত সূত্র জানায়, মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের জেরা শেষ হয়েছে। পরে আদালত আসামি সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেন। আত্মপক্ষ সমর্থন শেষে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ করে রায়ের জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ পাহাড়তলী এলাকার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়নী নিখোঁজ হয়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় তার মা পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তদন্তে স্থানীয় সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজের নয় দিন পর পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার একটি ডোবা থেকে আয়নীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির ব্যবহৃত পোশাক ও স্যান্ডেলও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর রুবেল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর আয়নীর মা চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এ নালিশি মামলা করেন।
আদালতের নির্দেশে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত শেষে পুলিশ রুবেলের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। তবে বিচার চলাকালে মামলার নথি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ধর্ষণের অভিযোগের পরিবর্তে অপহরণ, ধর্ষণের চেষ্টা, হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, পূর্বপরিচয়ের সুবাদে বিড়ালছানা দেওয়ার কথা বলে রুবেল শিশুটিকে তার ফুফুর খালি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হলে তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে নিজের সবজিবাহী ভ্যানে করে পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার একটি ডোবায় ফেলে দেন। এরপর থেকে আসামি রুবেল কারাগারে রয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণে প্রতীয়মান হয়েছে, ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর শিশুটিকে হত্যা করা হয়। তাই রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে।
What's Your Reaction?