আল্লামা আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
চট্টগ্রামের হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর কবরে ফাতেহা পাঠ করে জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ মাওলানা খলিল আহমেদ কুরেশী উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন। মাদ্রাসা থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ে মাদ্রাসার মাঠে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন।
২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান আল্লাম
চট্টগ্রামের হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর কবরে ফাতেহা পাঠ করে জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ মাওলানা খলিল আহমেদ কুরেশী উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন। মাদ্রাসা থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ে মাদ্রাসার মাঠে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন।
২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান আল্লামা শাহ আহমদ শফী। তিনি দেশের কওমি অঙ্গনের একজন শীর্ষ মরুব্বী ছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন দশক তিনি বৃহৎ কওমি মাদ্রাসা আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলামের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আল্লামা শাহ আহমদ শফী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ইসলাম, কওমি শিক্ষা এবং সামাজিক ধর্মীয় বিভিন্ন ইস্যুতে তার ভূমিকা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে ব্যাপক আলোচিত ছিল।
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারী থেকে সড়ক পথে ফটিকছড়িতে আল-জামায়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় আসেন ও মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।