আল্লাহ মাফ করুক, কানে ধরি: রাজনীতির কথা শুনে শিরিন শিলা
চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। বরং শিল্পীদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকাই উচিত বলে মনে করেন তিনি। ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন ‘জাগো তারকা’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ব্যক্তিজীবন, ক্যারিয়ার ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়, কখনো রাজনীতিতে আসার ইচ্ছা আছে কি না। এমনকি তাকে নেত্রী হিসেবে মানিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করা হয়। প্রশ্ন শুনেই হাসতে হাসতে শিরিন শিলা বলেন, ‘আল্লাহ মাফ করুক, কানে ধরি। আমি কখনোই কোনো নেত্রী-টেত্রী হতে চাই না।’ রাজনীতি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় অনেকেই মনোনয়ন নেওয়ার চেষ্টা করেছে, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমার জীবনে কখনো এই ধরনের চিন্তা আসেনি। আমি কখনো কল্পনাও করিনি যে রাজনীতিতে যাব।’ শিল্পীদের রাজনীতিতে জড়ানো উচিত নয় বলেও মত দেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের রাজনীতি কখনোই শিল্পীদের করা উচিত না। আমরা শিল্পীরা যে দলে থাকি না কেন, আমরা তো শিল্পী হিসেবেই ভালো আছি। আমাদের কাজ হলো অভি
চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। বরং শিল্পীদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকাই উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন ‘জাগো তারকা’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ব্যক্তিজীবন, ক্যারিয়ার ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়, কখনো রাজনীতিতে আসার ইচ্ছা আছে কি না। এমনকি তাকে নেত্রী হিসেবে মানিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করা হয়।
প্রশ্ন শুনেই হাসতে হাসতে শিরিন শিলা বলেন, ‘আল্লাহ মাফ করুক, কানে ধরি। আমি কখনোই কোনো নেত্রী-টেত্রী হতে চাই না।’ রাজনীতি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় অনেকেই মনোনয়ন নেওয়ার চেষ্টা করেছে, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমার জীবনে কখনো এই ধরনের চিন্তা আসেনি। আমি কখনো কল্পনাও করিনি যে রাজনীতিতে যাব।’
শিল্পীদের রাজনীতিতে জড়ানো উচিত নয় বলেও মত দেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের রাজনীতি কখনোই শিল্পীদের করা উচিত না। আমরা শিল্পীরা যে দলে থাকি না কেন, আমরা তো শিল্পী হিসেবেই ভালো আছি। আমাদের কাজ হলো অভিনয় করা, মানুষের ভালোবাসা অর্জন করা।’
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে গেলে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে। ‘আজ একটা দল থাকবে, কাল আরেকটা দল আসবে। তখন সমালোচনা, বদনাম, মামলা-এসবের মুখোমুখি হতে হতে পারে। কেউ কেউ দেশ ছেড়েও যেতে পারে। তার চেয়ে আমরা শিল্পী হিসেবে কাজ করি, দর্শকের ভালোবাসা পাই-এটাই ভালো’ যোগ করেন তিনি।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠানে শিল্পীদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে শিরিন শিলা বলেন, সেটাকে কোনো দলের প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখা ঠিক নয়। তার ভাষায়, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমাদের ডাকা হয়েছে, আমরা গেছি। এনসিপির অনুষ্ঠানেও গেছি। এখন বিএনপির অনুষ্ঠানেও ডাকলে যাই। যখনই ডাকা হয়, আমরা যাই। কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা কোনো একটি দলের পক্ষ নিই।’
শেষে তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, সক্রিয় রাজনীতিতে শিল্পীদের জড়ানো উচিত নয়। তার মতে, শিল্পীদের কাজ হলো দর্শকদের বিনোদন দেওয়া এবং ভালোবাসা অর্জন করা।
রাজনীতি প্রসঙ্গের পাশাপাশি ঈদ উদযাপন নিয়েও কথা বলেন শিরিন শিলা। তিনি জানান, ঈদ তার কাছে পারিবারিক আনন্দ ও মিলনমেলার সময়।
শিরিন শিলা বলেন, ‘আমাদের বাসায় অনেক মেহমান এসেছিল। ঈদে অনেক আয়োজন ছিল- একটার পর একটা রান্না, খাওয়া-দাওয়া, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে আড্ডা। আমরা সবাই মিলে অনেক মজা করেছি। আমি সারা বছর এই ঈদের জন্য অপেক্ষা করি।’
তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় সবাই একসঙ্গে সময় কাটাতে পারেন বলেই এটি তার কাছে বিশেষ। ‘পুরো বছর সবাই ব্যস্ত থাকে, কিন্তু ঈদে সবাই যার যার বাসায় যায়, দেখা হয়, আড্ডা হয়- এই সময়টা আমার খুব ভালো লাগে’ বলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব পান না তুষি, জানালেন কারণ
যে কারণে ফেসবুক ডিলিট করতে চান তুষি
ব্যক্তিজীবন প্রসঙ্গে শিরিন শিলা বলেন, বিয়ের আগে ঈদ তার কাছে অনেকটাই সেলিব্রিটি জীবনকেন্দ্রিক ছিল, কিন্তু এখন তা পারিবারিক জীবনের সঙ্গে আরও বেশি মিশে গেছে।
তার ভাষায়, ‘এখন ঈদটা আমার কাছে ফ্যামিলি লাইফ হয়ে গেছে। সেলিব্রিটি লাইফ আছে, কিন্তু আমি এখন সংসার জীবনটাই বেশি উপভোগ করি।’
এমএমএফ/এমএস
What's Your Reaction?