আশানুরূপ দাম মেলেনি, ‘জায়েদ খান’-কে নিজেই কোরবানি দেবেন মালিক
ঈদুল আজহা উপলক্ষে লালমনিরহাটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘জায়েদ খান’ নামের বিশালাকৃতির একটি ষাঁড়। তবে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত গরুটি বিক্রি করেননি মালিক। খামার মালিক অ্যাডভোকেট মজমুল প্রামাণিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরম যত্নে পালন করা শখের এই ষাঁড়টি তিনি নিজেই কোরবানি করবেন। জেলার আদিতমারী উপজেলার দৌলজোর এলাকার আইনজীবী মজমুল প্রামাণিকের খামারে বেড়ে উঠেছে ষাঁড়টি। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করে আসছেন তিনি। তবে এবারের ঈদে তার খামারে সবচেয়ে নজর কাড়ে একটি ষাঁড়। আদর করে নাম রাখা হয়েছিল ‘জায়েদ খান’। সাদা ও কালো রঙের নজরকাড়া মিশ্রণ তার শরীরে। বার্মা জাতের এই ষাঁড়টি দেখতে যেমন সুন্দর, স্বভাবে ঠিক ততটাই রাগী। ফিতা দিয়ে মেপে দেখা গেছে, ষাঁড়টির উচ্চতা প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট এবং দৈর্ঘ্যে ৯ ফুট। বুকের মাপ বা পেটের ঘের ছয় ফুটের কাছাকাছি। বিশাল এই শরীর নিয়ে যখন ষাঁড়টি দাঁড়িয়ে থাকে, তখন এক নজর দেখার জন্য অনেকেই ভিড় জমান। এখন পর্যন্ত ওজন স্কেলে মাপা না হলেও খামারে আসা অভিজ্ঞ গরুর ব্যাপারী ও পাইকাররা ষাঁড়টির আকার দেখে ধারণা করছেন, এটি জবাই করলে অনায়াসেই ২৬-২৭ মণ নিট মাংস পাওয়া যাব
ঈদুল আজহা উপলক্ষে লালমনিরহাটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘জায়েদ খান’ নামের বিশালাকৃতির একটি ষাঁড়। তবে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত গরুটি বিক্রি করেননি মালিক। খামার মালিক অ্যাডভোকেট মজমুল প্রামাণিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরম যত্নে পালন করা শখের এই ষাঁড়টি তিনি নিজেই কোরবানি করবেন।
জেলার আদিতমারী উপজেলার দৌলজোর এলাকার আইনজীবী মজমুল প্রামাণিকের খামারে বেড়ে উঠেছে ষাঁড়টি। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করে আসছেন তিনি। তবে এবারের ঈদে তার খামারে সবচেয়ে নজর কাড়ে একটি ষাঁড়। আদর করে নাম রাখা হয়েছিল ‘জায়েদ খান’।
সাদা ও কালো রঙের নজরকাড়া মিশ্রণ তার শরীরে। বার্মা জাতের এই ষাঁড়টি দেখতে যেমন সুন্দর, স্বভাবে ঠিক ততটাই রাগী।
ফিতা দিয়ে মেপে দেখা গেছে, ষাঁড়টির উচ্চতা প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট এবং দৈর্ঘ্যে ৯ ফুট। বুকের মাপ বা পেটের ঘের ছয় ফুটের কাছাকাছি। বিশাল এই শরীর নিয়ে যখন ষাঁড়টি দাঁড়িয়ে থাকে, তখন এক নজর দেখার জন্য অনেকেই ভিড় জমান। এখন পর্যন্ত ওজন স্কেলে মাপা না হলেও খামারে আসা অভিজ্ঞ গরুর ব্যাপারী ও পাইকাররা ষাঁড়টির আকার দেখে ধারণা করছেন, এটি জবাই করলে অনায়াসেই ২৬-২৭ মণ নিট মাংস পাওয়া যাবে।
খামার সূত্রে জানা যায়, অন্য একটি প্রজাতির গরুর সঙ্গে উন্নত জাতের বীজ দিয়ে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া বার্মা জাতের ষাঁড়টিকে অত্যন্ত যত্নসহকারে বড় করা হয়েছে। খাওয়ানো হয়েছে দেশীয় খাবার। ‘জায়েদ খান’-এর সার্বক্ষণিক পরিচর্যা ও দেখভালের জন্য খামারে দুজন নিয়োজিত রয়েছেন।
বিশালাকৃতির ষাঁড়টি হাটে তুলতে গেলে যেকোনো সময় আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। তাছাড়া গরমে ও ভিড়ে ক্লান্ত হয়ে শুকিয়েও যেতে পারে। এই আশঙ্কা থেকে ষাঁড়টি হাটে না তুলে খামার থেকেই বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মালিকপক্ষ। তবে ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত খামারে যে দু-একজন ক্রেতা এসেছিলেন, তারা আশানুরূপ দাম বলেননি।
খামারের স্বত্বাধিকারী মজমুল প্রামাণিকের ছোট ভাই জনি জানান, ষাঁড়টির চেহারা ও আকার অনুযায়ী প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় এটি আর বিক্রি করা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সাত বছর ধরে পরম যত্নে গরুটিকে লালন-পালন করেছি। যেহেতু চাহিদা অনুযায়ী দাম পাওয়া গেল না, তাই এটি আমরা নিজেরাই কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
মহসীন ইসলাম শাওন/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?