আশুলিয়ায় ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৯

আশুলিয়ায় ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও হকারদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯জন আহত হয়েছেন। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে সাভারের আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় একটি নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও হকারদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। হকার গ্রুপের গুলজার, সোহেল ও রাজু নামে তিন ফুটপাতের দোকানি আহত হন। অপরদিকে আশুলিয়া নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৬জন তারেক, রিমন, জালাল জসিম,জুয়েল,মনির আহত হয়েছেন। আহত গুলজার নামে এক দোকানি অভিযোগ করে বলেন, সকালে তিনি নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে সরকারি সড়কে ডাব বিক্রি করছিলেন। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে সেখান থেকে সরে যেতে বলেন। তিনি সরকারি রাস্তায় আছেন বলে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আলামিন নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে মারধর করে হাসপাতালের আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যায়। সেখানে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি জবানবন্দিতে স্বাক্ষর নেওয়া

আশুলিয়ায় ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৯

আশুলিয়ায় ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও হকারদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯জন আহত হয়েছেন।

রোববার (১৫ মার্চ) সকালে সাভারের আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় একটি নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও হকারদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

হকার গ্রুপের গুলজার, সোহেল ও রাজু নামে তিন ফুটপাতের দোকানি আহত হন। অপরদিকে আশুলিয়া নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৬জন তারেক, রিমন, জালাল জসিম,জুয়েল,মনির আহত হয়েছেন।

আহত গুলজার নামে এক দোকানি অভিযোগ করে বলেন, সকালে তিনি নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে সরকারি সড়কে ডাব বিক্রি করছিলেন। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে সেখান থেকে সরে যেতে বলেন। তিনি সরকারি রাস্তায় আছেন বলে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আলামিন নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে মারধর করে হাসপাতালের আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যায়। সেখানে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি জবানবন্দিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে দোকানিদের ওপর হামলা চালালে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি সহ আরও দুজন আহত হন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন অর রশিদ বলেন, আগের দিনই হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান বসাতে নিষেধ করা হয়েছিল। এরপরও ভ্যানে করে দোকান বসানো হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গুলজারকে হাসপাতালে আনার জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের পাঠানো হয়। তিনি আসতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার হাতে একটি দা ছিল, সেটি সরাতে গিয়ে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তার শরীরে আঁচড় লাগে। তাকে মারধর করা হয়নি এবং এ বিষয়ে তাদের কাছে ভিডিওসহ স্বীকারোক্তি রয়েছে।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আজগর আলী বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow