আসছে আবু সাঈদ খান সম্পাদিত নতুন সংবাদমাধ্যম ‘অগ্রদূত’
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রত্যয় নিয়ে আসছে বহুমাত্রিক সংবাদমাধ্যম ‘অগ্রদূত’। শনিবার (৬ জুন) সকালে ওয়েবসাইট পাঠকের জন্য উন্মুক্ত করার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ হয় গণমাধ্যমটির। সরকার, রাজনৈতিক দল ও করপোরেট প্রভাবমুক্ত থেকে নির্ভয়ে সত্য প্রকাশে অবিচল থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে নতুন এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিক ধাপে অনলাইনে যাত্রা শুরু করলেও অচিরেই ছাপা পত্রিকা হিসেবে আসবে অগ্রদূত। আত্মপ্রকাশের দিনে দেশব্যাপী কর্মরত প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বিশেষ ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্তা সম্পাদক ইয়াহিয়া নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অগ্রদূতের আগামী দিনের রূপরেখা ও সার্বিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। অগ্রদূতের সম্পাদক ও প্রকাশক আবু সাঈদ খান তার সম্পাদকীয় ভাষ্যে এবং মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমটির নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, অগ্রদূত স্বাধীন সংবাদমাধ্যম। সরকার বা কোনো দলের লেজুড় নয়। দলনিরপেক্ষ হলেও মতনিরপেক্ষ নয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের প্রেরণা, ৯০ ও ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের পথচলার শক্তি। অগ্রদূত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। বর্তমান সময়ের সংবাদমাধ্যমের
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রত্যয় নিয়ে আসছে বহুমাত্রিক সংবাদমাধ্যম ‘অগ্রদূত’। শনিবার (৬ জুন) সকালে ওয়েবসাইট পাঠকের জন্য উন্মুক্ত করার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ হয় গণমাধ্যমটির।
সরকার, রাজনৈতিক দল ও করপোরেট প্রভাবমুক্ত থেকে নির্ভয়ে সত্য প্রকাশে অবিচল থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে নতুন এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিক ধাপে অনলাইনে যাত্রা শুরু করলেও অচিরেই ছাপা পত্রিকা হিসেবে আসবে অগ্রদূত।
আত্মপ্রকাশের দিনে দেশব্যাপী কর্মরত প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বিশেষ ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্তা সম্পাদক ইয়াহিয়া নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অগ্রদূতের আগামী দিনের রূপরেখা ও সার্বিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
অগ্রদূতের সম্পাদক ও প্রকাশক আবু সাঈদ খান তার সম্পাদকীয় ভাষ্যে এবং মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমটির নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, অগ্রদূত স্বাধীন সংবাদমাধ্যম। সরকার বা কোনো দলের লেজুড় নয়। দলনিরপেক্ষ হলেও মতনিরপেক্ষ নয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের প্রেরণা, ৯০ ও ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের পথচলার শক্তি। অগ্রদূত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনায় অঙ্গীকারাবদ্ধ।
বর্তমান সময়ের সংবাদমাধ্যমের সংকট তুলে ধরে তিনি জানান, অনেক সংবাদপত্র করপোরেট মালিকানার অধীনে চলে যাওয়ায় সম্পাদকীয় নীতিতে মালিকপক্ষের খবরদারি বেড়েছে এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। সরকার ও মালিকপক্ষ একাকার হলে স্বাধীন সাংবাদিকতার সুযোগ থাকে না। এই সংকট মোকাবিলায় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। অগ্রদূত নির্ভয়ে সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও গলদ প্রকাশ করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজভাবনা ধারণ করে সব ধর্মের, বর্ণের ও লিঙ্গের মানুষের সমঅধিকারের পক্ষে কথা বলবে।
ভার্চুয়াল সভায় অগ্রদূতের নির্বাহী সম্পাদক হাসনাত কাদীর দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই গণমাধ্যমটি সফল হলে আগামীর বাংলাদেশে এমন আরও অনেক স্বাধীন গণমাধ্যম গড়ে উঠবে।
অগ্রদূতের বার্তাপ্রধান মেহেদী হাসান শোয়েব বলেন, অগ্রদূত স্বাধীন গণমাধ্যম হিসেবে মানুষের জন্য মানুষের কথা বলবে। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে সফলতা আসবে।
কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের শিক্ষা-নৈতিকতার উন্নয়নে অগ্রদূত (agradut.net) সদস্যরা একসঙ্গে কাজের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এএমএ
What's Your Reaction?