আসন বণ্টন শেষে ইসলামী আন্দোলন নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি ছাড়াই ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পর জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এ সময় শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করছেন। আমরা আশা করি, তারা আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।’ ১০ দলের পক্ষ থেকে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। সমঝোতা অনুযায়ী, ১৭৯ আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত। এ ছাড়া এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এবি পার্টি ৩, এলডিপি ৭, বিডিপি ২ ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির বলেন, ‘যাকে যেখানে দেওয়া হয়েছে, তারা ১১ দলের এবং দেশবাসীর ক্যান্ডিডেট।’ এসময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি ছাড়াই ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পর জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।
এ সময় শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করছেন। আমরা আশা করি, তারা আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।’
১০ দলের পক্ষ থেকে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সমঝোতা অনুযায়ী, ১৭৯ আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত। এ ছাড়া এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এবি পার্টি ৩, এলডিপি ৭, বিডিপি ২ ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির বলেন, ‘যাকে যেখানে দেওয়া হয়েছে, তারা ১১ দলের এবং দেশবাসীর ক্যান্ডিডেট।’
এসময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদের, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির আনোয়ারুল হক, সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?