আসনপ্রতি ৬ জনের বেশি প্রার্থী, বিনা ভোটের সুযোগ নেই
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায়িছে ১ হাজার ৮৪২ জনে। সারাদেশের ২৯৮টি আসনের মধ্যে প্রার্থী সংখ্যা সব থেকে বেশি ঢাকা-১২ আসনে ১৫ জন। ফলে প্রতি আসনে গড়ে প্রার্থীর সংখ্যা ৬ দশমিক ১৮ জন। ২৯৮টি আসনের মধ্যে কোনো আসনেই একক প্রার্থী নেই। ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা ভোটের সুযোগ নেই। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্য একীভূত করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর তালিকা প্রকাশ করেছে। ইসির প্রকাশিত প্রার্থীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কম প্রার্থী পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র দুজন। অন্যদিকে দেশের ৩১টি আসনে ১০ জন করে প্রার্থী রয়েছে। ফলে এসব আসনে ভোটের মাঠে তুমুল লড়াই হবে। যত বেশি প্রার্থী তত বেশি লড়াই হবে বলে দাবি ইসির। পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র দুজন প্রার্থী রয়েছেন। এদের একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাসুদ সাঈদী, অন্যজন বিএনপির আলমগীর হোসেন। এই আসনে তুমুল লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢাকা-১২ আসনে এবার সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায়িছে ১ হাজার ৮৪২ জনে। সারাদেশের ২৯৮টি আসনের মধ্যে প্রার্থী সংখ্যা সব থেকে বেশি ঢাকা-১২ আসনে ১৫ জন। ফলে প্রতি আসনে গড়ে প্রার্থীর সংখ্যা ৬ দশমিক ১৮ জন। ২৯৮টি আসনের মধ্যে কোনো আসনেই একক প্রার্থী নেই। ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা ভোটের সুযোগ নেই।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্য একীভূত করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর তালিকা প্রকাশ করেছে।
ইসির প্রকাশিত প্রার্থীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কম প্রার্থী পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র দুজন। অন্যদিকে দেশের ৩১টি আসনে ১০ জন করে প্রার্থী রয়েছে। ফলে এসব আসনে ভোটের মাঠে তুমুল লড়াই হবে। যত বেশি প্রার্থী তত বেশি লড়াই হবে বলে দাবি ইসির।
পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র দুজন প্রার্থী রয়েছেন। এদের একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাসুদ সাঈদী, অন্যজন বিএনপির আলমগীর হোসেন। এই আসনে তুমুল লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢাকা-১২ আসনে এবার সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তারা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিন সাইফুলসহ মোট ১৫ জন প্রার্থী রয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে। এই আসনে তুমুল লড়াই হবে বলে ধারণা ভোটারদের।
দ্বিতীয় স্থানে ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে। আর খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪, গাজীপর-২ আসনে রয়েছেন ১২ জন করে।
ইসির তালিকা পর্যালোচনায় জানা গেছে, ১১ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন ঢাকা-৫, ঢাকা-৭, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, নারায়ণগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ফেনী-২, নোয়াখালী-৫ এবং খাগড়াছড়ি আসনে। ১০ জন করে রয়েছেন ঠাঁকুরগাঁও-৩, রংপুর-৫, গাইবান্ধা-৩, খুলনা-৩, টাঙ্গাইল-৪, ঢাকা-১৮, নরসিংদী-৫, নারায়ণগঞ্জ-৫, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-৫, নোয়াখালী-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১ আসনে।
এমওএস/ইএ
What's Your Reaction?