আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়নোর প্রস্তাব করেছে নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনিডিবি)। রাজনৈতিক দলটির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী জনবান্ধব বাজেট দেবেন। বাজেটে শিক্ষা ও কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।’ শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এনডিবির আয়োজনে ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।  মোমিন মেহেদী বলেন, ‘টেকসই বাজেট করতে হলে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ খাতে বরাদ্দ ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করতে হবে। কৃষিখাতেও বরাদ্দ বাড়াতে হবে। কৃষকদের ঋণ সহজলভ্য করতে হবে। এক ইঞ্চি জায়গাও খালি রাখা যাবে না।’ দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা বলেন, ‘কালোটাকা কাদের কাছে আছে সেই ব্যাপারে এনবিআরের খোঁজ নিতে হবে। সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিতে হবে শিক্ষায়। প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণে ভর্তুকি দিতে হবে। এছাড়া মানুষের নিরাপত্তায় বরাদ্দ রাখতে হবে। স্বাস্থ্যখাতে ভালো বাজেট দিতে হবে। পাশাপাশি বাজেট বরাদ্দ মনিটরিং করতে হবে। এই মুহূর্তে আমাদের বেশি ভৌত অবকাঠামো দরকার নাই। আমাদের সঞ্চয় মনোভাব সম্পন্ন করে সুষ্ঠু বাজেট দিতে হবে।’ যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা ব

আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়নোর প্রস্তাব করেছে নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনিডিবি)।

রাজনৈতিক দলটির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী জনবান্ধব বাজেট দেবেন। বাজেটে শিক্ষা ও কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।’

শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এনডিবির আয়োজনে ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। 

মোমিন মেহেদী বলেন, ‘টেকসই বাজেট করতে হলে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ খাতে বরাদ্দ ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করতে হবে। কৃষিখাতেও বরাদ্দ বাড়াতে হবে। কৃষকদের ঋণ সহজলভ্য করতে হবে। এক ইঞ্চি জায়গাও খালি রাখা যাবে না।’

দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা বলেন, ‘কালোটাকা কাদের কাছে আছে সেই ব্যাপারে এনবিআরের খোঁজ নিতে হবে। সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিতে হবে শিক্ষায়। প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণে ভর্তুকি দিতে হবে। এছাড়া মানুষের নিরাপত্তায় বরাদ্দ রাখতে হবে। স্বাস্থ্যখাতে ভালো বাজেট দিতে হবে। পাশাপাশি বাজেট বরাদ্দ মনিটরিং করতে হবে। এই মুহূর্তে আমাদের বেশি ভৌত অবকাঠামো দরকার নাই। আমাদের সঞ্চয় মনোভাব সম্পন্ন করে সুষ্ঠু বাজেট দিতে হবে।’

যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা বলেন, ‘জনবান্ধব বাজেট চাই, গরিবমারা বাজেট চাই না।’

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী বলেন, ‘শ্রমিকদের জন্য শ্রমবান্ধব বাজেট চাই, যাতে করে শ্রমিকরা বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে পারেন।’

এসময় বাংলাদেশ তরিকত ইসলামের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈনুদ্দিন টিপু বলেন, ‘প্রতিটি মাজারের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখতে হবে। মাজারে অশ্লীলতা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া প্রবাসীদের জন্য সুযোগ ও সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে।’

এসএম/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow