আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের ধানের শীষে ভোট করতে বাধা নেই

চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীরের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করতে কোনো বাধা নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশ দেন। আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে যমুনা ব্যাংকের করা আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের ওপর শুনানি হয়। চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় ইসি। সারোয়ার আলমগীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে আপিল দায়ের করা হয়েছিল। জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন। শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বাতিল করে কমিশন। এরপর

আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের ধানের শীষে ভোট করতে বাধা নেই

চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীরের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করতে কোনো বাধা নেই।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশ দেন।

আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে যমুনা ব্যাংকের করা আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের ওপর শুনানি হয়।

চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় ইসি। সারোয়ার আলমগীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে আপিল দায়ের করা হয়েছিল।

জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন। শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বাতিল করে কমিশন। এরপর তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আসেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এফএইচ/জেএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow