আসামি ধরতে টিনের চালে পুলিশ

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর হাজি মাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আসামিদের ধরতে টিনের ঘরের চালে উঠে ধাওয়া দিয়েছে পুলিশ। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযানটি পরিচালিত হয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন এডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। অভিযানের সময় হাজি মাজার বস্তির সরু গলি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। একপর্যায়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি টিনের ঘরের ওপর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধরতে এডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিজেই টিনের চালে উঠে ধাওয়া দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা চারদিক থেকে বস্তি ঘিরে ফেলে অভিযান চালিয়ে একে একে সন্দেহভাজনদের আটক করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিনের চাল বেয়ে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে গিয়ে পুলিশের অভিযান পরিচালনার দৃশ্য এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, মহানগর এলাকায় মাদক কারবার ও মাদক সেবন নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে হাজি মাজার বস্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক ২

আসামি ধরতে টিনের চালে পুলিশ
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর হাজি মাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আসামিদের ধরতে টিনের ঘরের চালে উঠে ধাওয়া দিয়েছে পুলিশ। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযানটি পরিচালিত হয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন এডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। অভিযানের সময় হাজি মাজার বস্তির সরু গলি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। একপর্যায়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি টিনের ঘরের ওপর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধরতে এডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিজেই টিনের চালে উঠে ধাওয়া দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা চারদিক থেকে বস্তি ঘিরে ফেলে অভিযান চালিয়ে একে একে সন্দেহভাজনদের আটক করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিনের চাল বেয়ে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে গিয়ে পুলিশের অভিযান পরিচালনার দৃশ্য এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, মহানগর এলাকায় মাদক কারবার ও মাদক সেবন নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে হাজি মাজার বস্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক ২৭০ গ্রাম হেরোইন, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক সেবনের অভিযোগে ৪০ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, মহানগরে মাদক নির্মূল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে। অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বলেন, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবেই এ ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow