ই-অরেঞ্জের সোনিয়াসহ ৬ জনের বিচার শুরু
প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ ডট শপের স্বত্বাধিকারী সোনিয়া মেহজাবিনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। তবে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী গাজী হাসান মাহমুদ বলেন, আদালতে মামলাটি দায়ের করলে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি হয় ৷ পরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, সম্পত্তি ক্রোক ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি হয়। তবে আসামি আমানুল্লাহ আত্মসমর্পণ করে জামিন নিলেও অভিযোগ গঠনের দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাদের অনুপস্থিতিতে আদালত অভিযোগ করেন। অন্য আসামিরা হলেন, সোনিয়ার স্বামী ই-অরেঞ্জ ডটশপের প্রধান উপদেষ্টা ও পরিচালক মাসুকুর রহমান সুমন, পৃষ্ঠপোষক শেখ সোহেল রানা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমানুল্লাহ চৌধুরী এবং পরিচালক জায়েদুল ফিরোজ ও নাজনিন নাহার বিথী। ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর রাজধানীর পুরানো পল্টনের গাজী ফিরোজ কায়ছার বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ই-
প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ ডট শপের স্বত্বাধিকারী সোনিয়া মেহজাবিনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। তবে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী গাজী হাসান মাহমুদ বলেন, আদালতে মামলাটি দায়ের করলে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি হয় ৷ পরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, সম্পত্তি ক্রোক ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি হয়। তবে আসামি আমানুল্লাহ আত্মসমর্পণ করে জামিন নিলেও অভিযোগ গঠনের দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাদের অনুপস্থিতিতে আদালত অভিযোগ করেন।
অন্য আসামিরা হলেন, সোনিয়ার স্বামী ই-অরেঞ্জ ডটশপের প্রধান উপদেষ্টা ও পরিচালক মাসুকুর রহমান সুমন, পৃষ্ঠপোষক শেখ সোহেল রানা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমানুল্লাহ চৌধুরী এবং পরিচালক জায়েদুল ফিরোজ ও নাজনিন নাহার বিথী।
২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর রাজধানীর পুরানো পল্টনের গাজী ফিরোজ কায়ছার বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ই-অরেঞ্জ শপের কর্মকর্তারা স্বল্প মূল্যে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়ে অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে প্রলোভিত করেন। ওই প্রলোভনের শিকার হয়ে বাদী ২০২১ সালের ২৩ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত ৩টি মোটরসাইকেল ও একটি ল্যাপটপ করার জন্য মোট ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ টাকা আসামিদের প্রতিষ্ঠানে পরিশোধ করেন। ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহের শর্ত থাকলেও তারা আর পূর্ণ সরবরাহ করেননি। বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও আসামিরা পণ্য সরবরাহ না করায় ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর ই-অরেঞ্জের অফিসে গেলে টাকা না দিয়ে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
What's Your Reaction?