ইংল্যান্ড দলকে কোচিং করাতে চান স্টোকস
সবাই অবাক করে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। অবসরের নেপথ্যে কারণও ছিল অস্পষ্ট। এবার সেই কারণ স্পষ্ট করলেন স্টোকস। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্ট চলাকালে গত জুনে অবসরের ঘোষণা দিয়ে পুরো ইংলিশ ক্রিকেটকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিলেন স্টোকস। ‘দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে স্টোকস বলেন, এর পেছনে অনেক জটিল কারণ রয়েছে, যা নিয়ে আজ বা নিকট ভবিষ্যতে হয়তো আমি সবটা আলোচনা করব না। নিজের পরিকল্পনার বিষয়ে স্টোকস বলেন, সামনে তাকিয়ে আমি ভাবছিলাম, ২০২৭ সালে আমাদের সামনে অ্যাশেজ রয়েছে। সত্যি বলতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমি স্ত্রীকে (ক্লেয়ার) বিষয়টি নিয়ে অনেক বুঝিয়েছি। আপনি তো সবসময়ই নিজের অবসরের দিনক্ষণ নিয়ে আগাম পরিকল্পনা করে রাখবেন, তাই না? আমার লক্ষ্য ছিল ২০২৭ সালের অ্যাশেজ। সেখানে যা-ই ঘটুক না কেন, মনে হচ্ছিল এরপর আর হয়তো টেনে নেওয়া সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মনে হচ্ছিল, ‘সবকিছুর এমন অবস্থা, এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ২০২৭ সালের অস্ট্রেলিয়া সফর পর্যন্ত আমি কীভাবে পৌঁছাব? এমনকি ডারহামের হয়ে খেলার সময়ও মাথায় একই চিন্তা ঘুরছিল— নিউজিল্যান্ড
সবাই অবাক করে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। অবসরের নেপথ্যে কারণও ছিল অস্পষ্ট। এবার সেই কারণ স্পষ্ট করলেন স্টোকস।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্ট চলাকালে গত জুনে অবসরের ঘোষণা দিয়ে পুরো ইংলিশ ক্রিকেটকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিলেন স্টোকস।
‘দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে স্টোকস বলেন, এর পেছনে অনেক জটিল কারণ রয়েছে, যা নিয়ে আজ বা নিকট ভবিষ্যতে হয়তো আমি সবটা আলোচনা করব না।
নিজের পরিকল্পনার বিষয়ে স্টোকস বলেন, সামনে তাকিয়ে আমি ভাবছিলাম, ২০২৭ সালে আমাদের সামনে অ্যাশেজ রয়েছে। সত্যি বলতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমি স্ত্রীকে (ক্লেয়ার) বিষয়টি নিয়ে অনেক বুঝিয়েছি। আপনি তো সবসময়ই নিজের অবসরের দিনক্ষণ নিয়ে আগাম পরিকল্পনা করে রাখবেন, তাই না? আমার লক্ষ্য ছিল ২০২৭ সালের অ্যাশেজ। সেখানে যা-ই ঘটুক না কেন, মনে হচ্ছিল এরপর আর হয়তো টেনে নেওয়া সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মনে হচ্ছিল, ‘সবকিছুর এমন অবস্থা, এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ২০২৭ সালের অস্ট্রেলিয়া সফর পর্যন্ত আমি কীভাবে পৌঁছাব? এমনকি ডারহামের হয়ে খেলার সময়ও মাথায় একই চিন্তা ঘুরছিল— নিউজিল্যান্ড সিরিজটাই তো শেষ করতে পারব বলে মনে হচ্ছে না। একদিকে অস্ট্রেলিয়া সফরকে অবসরের মঞ্চ বানানোর চিন্তা, অন্যদিকে ঠিক কীভাবে ততদূর পৌঁছাব— তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কাজ করছিল।
তবে ক্রিকেট থেকে এখনই যে পুরোপুরি দূরে সরে যাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট করলেন স্টোকস। বর্তমানে ডারহামের হয়ে ‘ওয়ানডে কাপ’-এ খেলছেন তিনি। এছাড়া ‘বিগ ব্যাশ’ লিগে খেলার জন্য সিডনি সিক্সার্সের সঙ্গেও নাকি কথাবার্তা চলছে এই তারকা অলরাউন্ডারের।
তবে দীর্ঘমেয়াদি ভাবনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন স্টোকস। তার নজর এখন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের পদের দিকে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রকাশ করে স্টোকস বলেন, খেলোয়াড় থাকা অবস্থাতেই আমি এখন কোচিংয়ের লেভেল-৩ কোর্স সম্পন্ন করছি। কারণ খেলা পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার আগেই সব আনুষ্ঠানিকতা ও সার্টিফিকেট গুছিয়ে রাখতে চাই। এতে করে আমার সামনে অপশন খোলা থাকবে—চাইলেই সোজা কোচিংয়ে ঢুকতে পারব, অথবা দু-এক বছর বিরতি নিয়ে নিজের মতো কাটাতে পারব।
ইংল্যান্ডের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্নের কথা জানিয়ে স্টোকস স্পষ্ট করে বলেন, আমি কোচ হতে চাই। খেলার সঙ্গে জড়িত থেকে কী করতে চাই, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত— আর তা হলো কোচিং। তবে আমি কি একদিন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হতে চাইব? অবশ্যই! এই দায়িত্বটা পাওয়ার সুযোগ পেলে আমার ভীষণ ভালো লাগবে। কিন্তু তা সত্যিই কখনো হবে কি না, জানি না, কোনো ধারণা নেই।
What's Your Reaction?