ইউএনওকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিমের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মদ আবদুল্যাহ আল জাবেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মো. ইব্রাহিম প্রশাসন-১ শাখায় কর্মরত অবস্থায় গত বছরের ১৪ থেকে ১৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি অনুমোদিত সময়ের আগেই কক্সবাজারে যান, যা সরকারি নির্দেশনার ব্যত্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উদ্দেশ্যে কন্তুরাঘাট এলাকায় মো. ইব্রাহিম চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ ঘটনা বিভি

ইউএনওকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিমের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মদ আবদুল্যাহ আল জাবেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মো. ইব্রাহিম প্রশাসন-১ শাখায় কর্মরত অবস্থায় গত বছরের ১৪ থেকে ১৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি অনুমোদিত সময়ের আগেই কক্সবাজারে যান, যা সরকারি নির্দেশনার ব্যত্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উদ্দেশ্যে কন্তুরাঘাট এলাকায় মো. ইব্রাহিম চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।

অভিযোগের বিষয়ে তার লিখিত জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি পর্যালোচনা করে অভিযোগকে প্রমাণিত বলে উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়। এরপর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী তাকে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

তবে অভিযোগের গুরুত্ব ও সংশ্লিষ্ট বিষয় বিবেচনায় তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে 'তিরস্কার' সূচক লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর জারি করা সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া তার সাময়িক বরখাস্তকাল কর্তব্যকাল হিসেবে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা তাসনিমকে গ্রেফতারের হুমকি দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিম। সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে যাত্রাবিলম্ব হওয়ার জেরে উত্তেজিত ওই পর্যটক নিজেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা’ দাবি করে ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ইউএনওকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

টিটি/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow