ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বড় ক্ষতি
ইউক্রেনের ধারাবাহিক দূরপাল্লার ড্রোন হামলার ফলে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউরোপ যদি ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদনে সহায়তা করে, তাহলে তা ইউরোপজুড়ে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে। এমনকি এসব পদক্ষেপের অপ্রত্যাশিত পরিণতি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ আরও কঠোর ভাষায় বলেন, ইউক্রেনের সঙ্গে যৌথভাবে অস্ত্র তৈরি করা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর অবস্থান সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এদিকে জার্মানি, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়াম ইউক্রেনকে ড্রোন ও সামরিক সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এসব সহায়তার মধ্যে বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও অর্থ সহায়তা রয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তাদের ড্রোন হামলা এখন নিয়মিত সক্ষমতায় পরিণত হয়েছে। ইউক্রেন এরইমধ্যে নিজস্ব অস্ত্রশিল্প গড়ে তুলে রাশিয়ার ভেতরে গভীর পর্যন্ত হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, পাইপলাইন, তেল ডিপো
ইউক্রেনের ধারাবাহিক দূরপাল্লার ড্রোন হামলার ফলে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউরোপ যদি ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদনে সহায়তা করে, তাহলে তা ইউরোপজুড়ে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে। এমনকি এসব পদক্ষেপের অপ্রত্যাশিত পরিণতি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ আরও কঠোর ভাষায় বলেন, ইউক্রেনের সঙ্গে যৌথভাবে অস্ত্র তৈরি করা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর অবস্থান সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এদিকে জার্মানি, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়াম ইউক্রেনকে ড্রোন ও সামরিক সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এসব সহায়তার মধ্যে বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও অর্থ সহায়তা রয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তাদের ড্রোন হামলা এখন নিয়মিত সক্ষমতায় পরিণত হয়েছে। ইউক্রেন এরইমধ্যে নিজস্ব অস্ত্রশিল্প গড়ে তুলে রাশিয়ার ভেতরে গভীর পর্যন্ত হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, পাইপলাইন, তেল ডিপো ও রপ্তানি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে রাশিয়া সম্ভাব্য তেল রপ্তানির প্রায় ৪০ শতাংশ আয় হারিয়েছে।