ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনের টাকা খরচ করে এমপি হয়েছি

আতিকুর রহমান মোজাহিদ ওরফে আতিক মোজাহিদ একাধারে রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সংগঠক ও গবেষক। যার জন্ম কুড়িগ্রামের পাঠানপাড়ার টগরাইহাট এলাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে আন্তর্জাতিক স্কলারশিপে মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক হন। বর্তমানে দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি সেভ হিউম্যানিটি মিশনের (বাংলাদেশ চ্যাপ্টার) নির্বাহী পরিচালক ও আইআরডিএফের গবেষণা সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন৷ আতিকুর রহমান মোজাহিদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি৷ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মো. নাহিদ হাসান। জাগো নিউজ: প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই জয়, কতটা চ্যালেঞ্জ ছিল?   আতিকুর রহমান মুজাহিদ: এটা তো অনেক বড়। মনে হয়েছে পাহাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা। কারণ, এক্সিস্টিং সিস্টেমে এই যে মাসল পাওয়ার এবং মানি পাওয়ার স

ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনের টাকা খরচ করে এমপি হয়েছি

আতিকুর রহমান মোজাহিদ ওরফে আতিক মোজাহিদ একাধারে রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সংগঠক ও গবেষক। যার জন্ম কুড়িগ্রামের পাঠানপাড়ার টগরাইহাট এলাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে আন্তর্জাতিক স্কলারশিপে মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক হন। বর্তমানে দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি সেভ হিউম্যানিটি মিশনের (বাংলাদেশ চ্যাপ্টার) নির্বাহী পরিচালক ও আইআরডিএফের গবেষণা সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন৷

আতিকুর রহমান মোজাহিদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি৷ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মো. নাহিদ হাসান

জাগো নিউজ: প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই জয়, কতটা চ্যালেঞ্জ ছিল?  

আতিকুর রহমান মুজাহিদ: এটা তো অনেক বড়। মনে হয়েছে পাহাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা। কারণ, এক্সিস্টিং সিস্টেমে এই যে মাসল পাওয়ার এবং মানি পাওয়ার সেটাকে আমরা অ্যানকাউন্টার করেছি। টাকা ছিল না, আমরা কী যে কষ্ট করেছি। একটা চেয়ারম্যান (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচনে যে টাকা খরচ হয় আমরা সেই পরিমাণ টাকা খরচ করে এমপি হয়েছি।

‘শুধু মানুষের ভালোবাসা, আল্লাহর রহমত এবং আমাদের প্রচেষ্টা দিয়ে আমরা জয় পেয়েছি। মানুষের যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সেটা আমরা ধারণ করার চেষ্টা করেছি।’

জাগো নিউজ: নির্বাচিত হলেন—এলাকার মানুষের জন্য প্রথম কোন কাজটি করতে চান?

মোজাহিদ: অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, চেষ্টা করবো সবার আগে আমার এলাকায় যত দ্রুত সম্ভব কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা৷ চিন্তা করবো যত বেশি ইনভেস্টমেন্ট আনা যায়, লোকাল ফ্যাক্টরি বানানো যায়। এটা জরুরি। এলাকায় মানুষের কাজ না থাকলে মানুষ আসলে অনেক উল্টাপাল্টা কাজ করে। কীভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়—এটা নিয়ে খুব প্রেশারে আছি।

জাগো নিউজ: আপনাদের দল একটা জোট করেছিল, জয়ী হতে জোট আপনাকে কতটা সমর্থন দিয়েছে? এই জয়ের পেছনে সেই জোটের ভূমিকা কতটা ছিল?

মোজাহিদ: অবশ্যই জোটের ভূমিকা অসাধারণ ছিল। আপনারা (সাংবাদিক) অনেক ভূমিকা রেখেছেন। তারা (জোট) আমাকে যথেষ্ট হেল্প করেছে এবং আমি মনে করি যে কালেক্টিভ ইফেক্ট ছিল, নিজস্ব ইফেক্ট ছিল, আমার পার্সোনাল ভোট ছিল।

জাগো নিউজ: রাজনীতিতে আপনি নতুন, এসেই এমপি নির্বাচিত হলেন। তরুণদের উদ্দেশে কী বলবেন?

মোজাহিদ: আমরা (তরুণরা) ভাবতাম এই বিশাল বিশাল পলিটিশিয়ান, তারা না জানি কী। এই ভেবে আমাদের পিছিয়ে থাকা—এটা হয়েছে। এখন দেখলাম আমাদের যে সাহস, উদ্যম, যোগ্যতা ও চিন্তা—এগুলো নিয়ে মানুষের কাছে গেলে মানুষ আসলেই সাড়া দেবে।

‘এখন তরুণদের সৎ ও ভালো রাজনীতির দিকে এগিয়ে আসা উচিত। তা না হলে এদেশের সিস্টেম আমাদের ধ্বংস করে আমাদের ফিউচার নষ্ট করে দেবে’—যোগ করেন তিনি।

এনএস/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow